দু’দেশের সম্পর্ক অটুট রাখতে ও উন্নয়ণের লক্ষ্যে ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ বাংলাদেশকে দিল ভারত
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও অটুট রাখতে ২০টি ডিজেল চালিত ব্রডগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত। মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠানের সময় উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, তিনি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগদান করেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে যুক্ত হন মো. নূরুল ইসলাম সুজন।
তাছাড়াও অনুষ্ঠানে ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সিইও এ কে লাহোতি, বোর্ডের অন্যান্য সদস্য, রেলওয়ে বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।২০১৯ সালের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে আসার সময়েই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের গণপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপের পরিকল্পনা করা হয়। আর সেই কারণেই ভারতে তৈরি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ বাংলাদেশকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এখনও পর্যন্ত পাঁচটি ব্রডগেজ পরিষেবা চালু রয়েছে। যেমন- গেদে-দর্শনা, বেনাপোল-পেট্রাপোল, সিংহাবাদ-রোহনপুর, রাধিকাপুর-বিরল এবং হলদিবাড়ি-চিলাহাটি। এ ছাড়াও আগরতলা-আখুয়ারা এবং মহীশাসন-শাহবাজপুরের মধ্যে আরও দু'টি সীমান্ত পেরিয়ে ট্রেন পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভার্চুয়ালি হয়েছে অনুষ্ঠানটি, সেখানে বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন জানান, তাদের সাহায্য করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা তিনি।
লোকোমোটিভ সরবরাহ বাংলাদেশে পণ্য ও যাত্রীবাহী ট্রেন উভয়ই আমাদের উন্নতিতে সাহাজ্য করবে। ২০২০ সালের জুন মাসে ভারত সরকার বাংলাদেশকে ১০টি লোকোমোটিভ দিয়েছিল, যাতে আমরা উপকৃত হয়েছিলাম।

যোগাযোগ বাড়াতে বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিনটি জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন, যেমন কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস, কলকাতা-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস ও নিউ জলপাইগুড়ি-ঢাকা মিতালী এক্সপ্রেস চলছে।
যাতে কিন্তু অনেক মানুষই উপকৃত হয়েছে। ট্রেনের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য প্রতি মাসে প্রায় ১০০ টি পণ্যবাহী ট্রেনের আদান-প্রদানের বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশে প্রায় ২.৬৬ মেট্রিক টন জিনিস পাঠানো হয়েছিল। রপ্তানি পণ্যগুলি হল পাথর, নথিপত্র, খাদ্যশস্য, ভুট্টা, পেঁয়াজ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রপ্তানি হয়।












Click it and Unblock the Notifications