পারস্পরিক বিশ্বাস, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খুলে দেবে সফলতার রাস্তা, IGF ME&A-র আলোচনায় উঠে এল সেই কথাই
India Global Forum Middle East & Africa (IGF ME&A) এর অনুষ্ঠান চতুর্থ বছরে পদার্পণ করল। সেখানে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ এবং বদলে যাওয়া অর্থনৈতিক ল্যান্ডস্কেপকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা প্রসারিত হয়েছে। ভারত নতুন সরকারের অধীনে এগিয়ে চলেছে এবং অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে শিল্প নেতারা একত্রিত হয়েছিলেন ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার দেশগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা সারতে।
দিনটি শুরু হয় কমেডিয়ান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সহ প্রতিষ্ঠাতা মিনা লিক্কিওনের বক্তব্য দিয়ে। যেখানে তিনি বলেন, কীভাবে হাস্যরসের মধ্য দিয়ে সামাজিক নানা সমস্যার মুখোমুখি হওয়া যায়। মানুষ কমেডিয়ানদের কথা শুনতে চান কারণ তাঁদের কথায় সত্যতা রয়েছে এবং তা তাঁরা বলেন অনেক হালকা চালে হাস্যরস মিশিয়ে।

এরপরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এআই ইন্টিগ্রেশন নিয়ে কথা বললেন বিশিষ্ট বক্তা মহম্মদ আবু হামরা। তিনি হলেন ডিপি ওয়ার্ল্ড জি সিসির চিফ অপারেটিং অফিসার। এছাড়াও প্যানেল আলোচনায় ছিলেন কোর্টেক্স এআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক লুডিক, ন্যাসকম ভারতের প্রেসিডেন্ট রাজেশ নাম্বিয়ার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পলিনোম গ্রুপের সিইও আলেকজান্ডার খানিন সহ আরও অনেকে। সাপ্লাই চেন ইন্ডাস্ট্রি, লজিস্টিক ইন্ডাস্ট্রিতে কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বড় বদল আনছে, পাশাপাশি ডিজিটাল টেকনোলজি কীভাবে কাজের ল্যান্ডস্কেপকে বদলে দিচ্ছে তা নিয়ে অনুষ্ঠানে দীর্ঘ আলোচনা হয়। প্রত্যেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসাকে আরও সহজ করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।
সেরা উদ্যোগপতি এবং বিনিয়োগকারীরা তাঁদের নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা এই অনুষ্ঠানে সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোরিন অ্যাডভাইজার্স এলএলপি ইন্ডিয়ার সঞ্জয় নায়ার। আস্সিদুস ইউএই-র প্রতিষ্ঠাতা সোমদত্তা সিং এবং অ্যাসেল ইন্ডিয়ার পাটনার প্রশান্ত প্রকাশ।
স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পরিষেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়েও অনুষ্ঠানে আলোচনা হয়। কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিপ্লব আনছে সে বিষয়ে বিশিষ্ট বক্তারা আলোকপাত করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবায় আগের থেকে অনেক খরচ কমেছে, এর ফলে অনেক সময় বেঁচে যাচ্ছে। এই বিষয়টিকেও তুলে ধরা হয়।
এর পাশাপাশি এই দিনের অনুষ্ঠানে আবহাওয়া এবং ব্যবসার পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এবং কীভাবে নির্ভরযোগ্য ভবিষ্যৎ আবহাওয়াকে ঠিক রেখে গড়ে তোলা যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি ভারতীয় খেলাধুলার জগতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়া, রূপচর্চা, কনটেন্ট, মৌলিকতা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়েও অনুষ্ঠানে বিশিষ্টরা বক্তব্য রাখেন। সীমানা পেরিয়ে নতুন পার্টনারশিপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন সফলতার পথ খুলে দেবে এই বিশ্বাস নিয়েই অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ১০০০ এর বেশি আমন্ত্রিত এবং দুশো জনের বেশি বক্তা।












Click it and Unblock the Notifications