India China Relations: কুটনৈতিক জয়, সীমান্তে সেনা সরাবে এবার চিন? বড় সিদ্ধান্ত ভারত এবং বেজিংয়ের মধ্যে
India China Relations: সীমান্ত বিতর্কে কার্যত একাধিকবার মুখোমুখি হয়েছে ভারত এবং চিন! সামরিক ক্ষেত্রে তো বটেই, কুটনৈতিক স্তরেও আলোচনা হয়েছে দু'দেশের মধ্যে। এই অবস্থায় মিলল আশার আলো। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অর্থাৎ LAC -তে পেট্রোলিং নিয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চলেছে ভারত এবং বেজিং। এমনটাই জানিয়েছেন বিদেশ সচিব (Foreign Secretary Vikram Misri) বিক্রম মিসরি।
তাঁর কথায়, ভারত এবং চিনের দুই দেশের আধিকারিকদের (India China Relations) মধ্যে কয়েকদফায় আলোচনা হয়। আর এরপরেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর টহল নিয়ে দুই দেশ এক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS Summit) যোগ দিতে রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মুখোমুখি হবেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে। তার আগেই টহলদারি নিয়ে ভারত এবং চিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত (India China Relations)। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ভারতের কূটনৈতিক স্তরেও বড় সাফল্য হিসাবেই তা দেখা হচ্ছে বলে খবর।
বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি জানান, গতকয়েক সপ্তাহ ধরে ভারত এবং চিনের মধ্যে আলোচনা চলছিল। আর সেই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ফল মিলেছে। আর এই সিদ্ধান্তে ২০২০ সালে তৈরি হওয়া বিতর্কেরও সমাধান বেরিয়ে আসছে বলে জানান ভারত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই আমলা। মনে করা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্তের পরেই বিতর্কিত অঞ্চল থেকে সেনা সরাতে পারে লাল চিন। আর তা হলে ভারতও ধীরে ধীরে সেনা সরাবে। আর এক্ষেত্রে সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে চলা উত্তেজনা কিছুটা হলেও কমবে বলে আশা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
ব্রিকস সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যোগ দেবেন। আর সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারেন চিনের প্রেসিডেন্ট? এমনকি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার সম্ভবনা কি রয়েছে? এই প্রসঙ্গে মিশ্রি জানিয়েছেন, কূটনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে ভারত এবং চিনের মধ্যে দীর্ঘদিন আলোচনা চলছে। এই অবস্থায় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে আলোচনার চলছে বলে কার্যত ইঙ্গিত বিদেশমন্ত্রকের সচিবের। বলে রাখা প্রয়োজন, আগামী ২২ থেকে ২৩ অক্টোবর ১৬তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবারই রাশিয়া উড়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
বলে রাখা প্রয়োজন, লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত এবং চিনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ঘটে। অন্তত ২০ জন ভারতীয় সেনার জওয়ান শহিদ হন। এরপর থেকেই সংঘাত আরও ভয়ঙ্কর নেয়। এমনকি যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয় ভারত চিনের মধ্যে। মূলত সীমান্তে চিনের দাদাগিরি এবং সীমান্ত বরাবর টহল নিয়ে মতবিরোধ ভয়ঙ্কর আকার নেয়।












Click it and Unblock the Notifications