India China LAC status restore: লালফৌজ পিছোলে ‘কূটনৈতিক জয়’ ভারতের, চিন সমঝোতায় মুছবে তিক্ত অতীত?
India China Border Conflict: গালওয়ান সংঘর্ষের তিক্ত অতীত ফেলে লাদাখ সীমান্তে (Ladakh border) নজরদারি চালানো নিয়ে অভিন্ন মতে এসে পৌঁছেছে ভারত ও চিন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর টহলদারি নিয়ে দুই দেশ সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রকের সচিব বিক্রম মিসরি। যার জেরে সীমান্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতি কিছুটা ঠান্ডা হবে বলে আশাবাদী দিল্লি।
লালফৌজের পিছু হঠাকে কূটনৈতিক জয় হিসেবে দেখছে ভারত। ২০২০-এর আগে মাসে ২ বার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহল চলত। কিন্তু চুক্তি লঙ্ঘন করে ২০২০-র মে মাসে পূর্ব লাদাখে আগ্রাসনে পা বাড়ায় চিন।

বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানান, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (Line of Actual Control) বরাবর যে পয়েন্ট থেকে আগে নজরদারি চলত, আগামী দিনেও তা বহাল থাকবে।
সেন্টার ফর জয়েন্ট ওয়ারফেয়ার স্টাডিজের ডিরেক্টর জেনারেল অশোক কুমার বলেন, কূটনৈতিক উপায়ে ও সেনাদের মধ্যে আলোচনায় একাধিক জায়গায় সমঝোতার পথে হাঁটা গেলেও মূল সমস্যা ছিল লাদাখের উত্তরে অবস্থিত দেপসাং,দক্ষিণে দেমচকে।
প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবার প্রায় ৫০ হাজার সেনা অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত ছিল বলে জানান তিনি। তবে দুই দেশের সমঝোতার পর দেপসাংয়ে প্যাট্রোলিং পয়েন্ট ১০ থেকে ১৩ পর্যন্ত টহল দিতে পারবে ভারতীয় সেনা। দেমচকের শার্দিং নুল্লাতেও টহল দেওয়া যাবে।
তবে লাদাখ সীমান্তে সমঝোতার পথে হাঁটলেও আগামী মাসগুলিতে কড়া নজরদারি চালাবে ভারত। চিনের গতিবিধি এখনও সংশয়ের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তবে দুই দেশই সেনার সংখ্যা কমাবে সীমান্তে। এখন থেকে ১৪ থেকে ১৫ বাহিনী সেনা মোতায়েন থাকবে। সংঘর্ষ এড়াতে সেনা কমানোর পথে হাঁটছে ভারত ও চিন।
রাশিয়ায় ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। তার ঠিক আগেই ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্তে সমঝোতার সিদ্ধান্ত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। ভবিষ্য়তে দিল্লি ও বেজিংয়ের আলোচনা পথ আরও সুগম হতে পারে বলেও আশা। শুধু তাই নয়, এই সমঝোতার ফলে সীমান্তে পরিকাঠামো উন্নয়নও সম্ভবপর হবে।












Click it and Unblock the Notifications