আমেরিকায় করোনায় দৈনিক মৃত্যু ৩০০০ স্পর্শ করল
আমেরিকায় করোনায় দৈনিক মৃত্যু ৩০০০ স্পর্শ করল
২০২০ সালের মার্চে কোভিড আছড়ে পড়ার পরই স্পষ্ট হয়ে গেছিল, যতই উন্নত, ধনী দেশ হোক, কোভিডে নিস্তার নেই কারুরই৷ সেই তখন থেকেই বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কোভিড। একের পর এক ঢেউতে তুঙ্গে উঠছে সংক্রমণ। এরই মাঝে পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ অনেকাংশেই শিথিল করতে শুরু করল ফিনল্যান্ড৷ সেই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের হাসপাতালগুলিতে কোভিড রোগীর চাপ কমতে শুরু করেছে। এই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তারা।

করোনা নিয়ে নাজেহাল আমেরিকা!
তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোভিড পরিস্থিতি মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। প্রথম ঢেউ থেকেই বিশ্বজুড়ে সংক্রমণের অন্যতম এপিসেন্টার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই দেশে নতুন করে তিন হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে মারণ ভাইরাসের প্রকোপে। চিকিৎসক তথা বিজ্ঞানী এরিক টপল ট্যুইট করেন, 'আজ তিন হাজারেরও বেশি মার্কিন নাগরিক মারা গিয়েছেন কোভিডে। গত সাতদিনে মৃত্যুর গড় ২৫০০ জনের বেশি৷ সংক্রমণের এই তীক্ষ্ণ বৃদ্ধি থেকে বোঝা যাচ্ছে, এমন চলতে থাকলে আক্রান্ত-মৃত্যু সংখ্যা টিকা পূর্ববর্তী অবস্থায় পৌঁছে যাবে৷ যা কিনা কোনওভাবেই কাম্য নয়।'

সবচেয়ে বেশি মৃত্যু মার্কিন মুলুকেই!
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের তথ্য অনুযায়ী, কোভিড মহামারিতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে সেই দেশেই। সরকারি তথ্য বলছে, দেশটিতে আট লক্ষ সত্তর হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন কোভিডে আক্রান্ত হয়ে৷ সবমিলিয়ে দেশজুড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৭২ মিলিয়ন মার্কিন নাগরিক।

করোনা থেকে সেরে উঠছে ফিনল্যান্ড
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা সঙ্গীন হলেও ধীরে ধীরে সেরে উঠছে ফিনল্যান্ড৷ ১৮ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী সান্না মারিন বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকেই কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করতে শুরু করবে সরকার। কিন্তু এর মাঝে ওমিক্রন সংক্রমন অনেকটাই নাগালে চলে আসায় ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই বিধিনিষেধ শিথিল করতে চলেছে দেশটি৷ ফিনল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হানা সারকিননেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, 'চিকিৎসাকেন্দ্রগুলিতে বোঝা কমতে শুরু করেছে, অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে।'

স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ফিনল্যান্ড!
তিনি আরও জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ধীরে ধীরে পুরোনো ছন্দে ফিরতে চলেছে ফিনল্যান্ড। আপাতত দেশজুড়ে রেস্তোরাঁগুলি বন্ধ রয়েছে৷ তবে ফেব্রুয়ারিতে সকাল ন'টা থেকে সন্ধ্যা ছ'টা অবধি খোলা রাখা যাবে রেস্তোরাঁ। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই জিম, সুইমিং পুল, থিয়েটার খোলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে যাতে সমস্ত সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যায়, তার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications