দ্বিতীয় দফায় ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টে সায় মার্কিন সেনেটের, আন্তর্জাতিক মহলে শুরু জোরদার আলোচনা
দ্বিতীয় দফায় ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টে সায় মার্কিন সেনেটের, আন্তর্জাতিক মহলে শুরু জোরদার আলোচনা
জল্পনা চলছিল। অপেক্ষা ছিল শুধু সেনেটের সম্মতির। অবশেষে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে মিলল চূড়ান্ত সম্মতি। মঙ্গলবারের ভোটাভুটিতে সেনেটে ৫৬-৪৪ ভোটে বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবার পক্ষে রায় আসে। যা নিয়ে ফের সরগরম আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহল।

ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টে সায় সেনেটের
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ক্ষমতায় না থেকেও আমেরিকার রাজনীতির ইতিহাসে ফের নয়া রেকর্ড করতে চলেছেন ট্রাম্প। যদিও তা যে তাঁর জন্য বিশেষ সুখকর নয় তা বলাই বাহুল্য। সহজ কথায়, এই প্রথম কোনও মার্কিন রাষ্ট্রপতি ক্ষমতায় না থেকেই ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হতে চলেছেন। ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে হামলা এবং হিংসায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে গত মাসে হাউস অব রিপ্রেসেন্টেটিভস ট্রাম্পকে ইমপিচ করে। তার পর সেই প্রস্তাব যায় সেনেটে।

সম্মতি মিলেছে দুই হাউস থেকেই
এদিকে এই বিষয়ে দুই কক্ষে বিগত কয়েকদিন ধরেই টানাপড়েন চলছিল। অবশেষে তাতে ইমপিচমেন্টের পক্ষেই রায় দিতে দেখা যায় সেনেটের সিংহভাগ সদস্যকে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যকোনেল বলেন, "সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে বিষয়টি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই দুই হাউস থেকে সম্মতি মিলেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি শেষ হবে।"

ক্যাপিটলে ভয়াবহ হামলার ঘটনার ভিডিও প্রদর্শনে শুরু শুনানি
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার গত ৬ই জানুয়ারি ক্যাপিটলে ভয়াবহ হামলার ঘটনার একটি ভিডিও প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রথম ইমপিচমেন্টের কার্যক্রম শুরু হয়। এমনকী ওই সময়েই সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্পের উষ্কানিমূলক মন্তব্যেরও ফুটেজ দেখানো হয় সকলের সামনে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ম্যারিল্যান্ড থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি জ্যামি রাসকিন বলেন, "এটা আদপে বড় অপরাধ। রাষ্ট্রপতির মতো ব্যক্তিত্বের থেকে এই আচরণ মানা যায় না। এর শাস্তি ইমপিচমেন্ট ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না"।

আগেও ইমপিচমেন্টের মুখে পড়েন ট্রাম্প
এদিকে এর আগেও সেনেটের প্রতিনিধি পরিষদ মূলত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব আনে। প্রথমত ক্ষমতার অপব্যবহার। দ্বিতীয়ত প্রতিনিধি পরিষদে ক্ষমতা খাটানো। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ২৫ জুলাই একটি টেলিফোনের কথোপকথন নিয়েই প্রধান অভিযোগ ওঠে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।আর এই অভিযোগেও গত বছর ইমপিচমেন্টের মুখে পড়েন ট্রাম্প।












Click it and Unblock the Notifications