চিন থেকে ইউরোপের ফ্রান্স-জার্মানি, ফের লাফিয়ে বাড়ছে করোনা, শুরু নতুন উদ্বেগ
চিন থেকে ইউরোপের ফ্রান্স-জার্মানি, ফের লাফিয়ে বাড়ছে করোনা, শুরু নতুন উদ্বেগ
চিনে অনেকটাই বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন সেখানকার সরকার। সেই ভয় ধরছে চিনাবাসিন্দাদের। চিনের ২৫ মিলিয়ন বাসিন্দাদের আর্থিক কেন্দ্র হল সাংহাই । এখানে কিন্তু বাসিন্দাদের করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভাইরাসের কঠোর বিধিনিষেধও মানা হচ্ছে। সেই সঙ্গে মাস্ক বাধ্যতামূলক। সরকারের তরফে সকলে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে। সাংহাইতে শুক্রবার পর্যন্ত ২৩ হাজার করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।
মার্চ মাসের পর থেকে চিন ও ইউরোপে কিন্তু হুহু করে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। কোন কোন দেশে কোথায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কত জেনে নিন।

ফ্রান্স
শুধু যে চিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে তাই নয়, ফ্রান্সেও কিন্তু অনেকটাই বেড়েছে সঙ্ক্রমণের হার। যদিও এই সপ্তাহে খানিকটা নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ। শুক্রবার ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৩৮৯ জন। আগের সপ্তাহে সংখ্যা কিন্তু ১ লক্ষের ওপরে ছিল। ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ১৩০ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৬ হাজার ২৫৩ জন। এখানে ফ্রান্সে দ্বিতীয় দফার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট আছে।

ইতালি
সামান্য নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। শুক্রবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, ইতালিতে নতুন করে ৭৩ হাজার ২১২ টি করোনা আক্রান্তের খবর মিলেছে। আগের দিন সেই সংখ্যাটা ছিল ৭৫ হাজার ২০। তবে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। ১৬৬ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০২।

জার্মানি
জার্মানিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬১ হাজার। ভাইরাসের আগমনের পর থেকে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৪০ লক্ষ ৬ হাজার ২৫৪ জন। ২৮৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সাংহাই
চিনের আর্থিক কেন্দ্র বলতে সাংহাইকেই জানি। সেখানে করোনা উপসর্গবিহীনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬৩৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সেই সংখ্যাটা দেখা গেছে ২ হাজার ৭৩৬ জন। তিন সপ্তাহ ধরে সেখানে কিন্তু লকডাউন চলছে। সাংহাইয়ের কর্তৃপক্ষ সেখানকার বাসিন্দাদের সতর্ক করে জানিয়েছে, যতদিন না পর্যন্ত করোনভাইরাস সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা, বিধিনিষেধ, গণ পরীক্ষা চলবে। সিঙ্গাপুর, হংকং ও থাইল্যান্ডে ইতিমধ্যেই বিধিনিষেধ শিথিল করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

কানাডা
এখানে কিন্তু অনেকটাই কমেছে করোনা গ্রাফ যা জানা গিয়েছে সরকারি সূত্র মারফত। বিধিনিষেধ শিথিল করার পরে যেসকল বাসিন্দারা বাইরে আছেন, তাঁরা ফিরে আসছেন।

যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যে একজন কোভিড রোগী ৫০৫ দিন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। ব্রিটিশ গবেষকরা জানান, এনিই প্রথম যিনি এতদিন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। এএফপি গবেষকরা বলেছেন, মারাত্মক ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আগে রোগী প্রায় ৪৫ বার করোনা পরীক্ষা করেছিলেন, যার রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সরকারি গবেষণায় জানা গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃতের সংখ্যা বয়স্কদের বেশি। সেখানে ভ্যাকসিন বুস্টার ডোজ বৃদ্ধদের দেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণআফ্রিকা
সেদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগে অনেকটাই কমেছিল করোনা গ্রাফ। তবে, এখন কিন্তু উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। আগের সপ্তাহে কিন্তু ১৩০০কেসের খব্র পাওয়া গিয়েছিল। সেই সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৩১-এ।












Click it and Unblock the Notifications