বলিউডি ভিলেন বানানো হয়েছিল, ভারত নিয়ে ইমরান খানের পাঁচ বচন
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ইমরান খান, তা স্পষ্ট। বৃহস্পতিবার রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ করেন।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও পাকিস্তানের তখতে ইমরান খানই যে বসতে চলেছেন সেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। ইমরান খানের দল পাকিস্তানি তেহরিক-ই-ইনসাফ বা পিটিআই-ই পাকিস্তানের এবারের সাধারণ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। ফল ঘোষণার আগেই বৃহস্পতিবার রাতে ইমরান জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণ দেন। সেই ভাষণে অবধারিত ভাবে উঠে এসেছে ভারত প্রসঙ্গ।

কাশ্মীর সমস্যা
ইমরাণ জানেন ভারত-পাকিস্তানের মূল দ্বন্দ্বের কারণ কাশ্মীর। কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে সরাসরি ভারতকে দুষেছেন ইমরাণ। তাঁর মতে গত ৩০ বছর ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে কাশ্মীরে চরম মানবাধিকারের লঙ্ঘন ঘটেছে। তিনি বলেন, 'পাকিস্তান ও ভারতের নেতাদের পারস্পরিক দোষারোপের খেলা ছেড়ে আলোচনায় টেবিলে বসে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান খোঁজা দরকার। আমরা এখনও প্রথম ঘরেই আটকে আছি।'

ভারতের সঙ্গে বন্ধন
ইমরান বলেন, ভারতীয় নেতারা ইচ্ছুক হলে তিনি চান দুই দেশের সম্পর্ককে মজবুত করতে। তাঁর মতে এতে গোটা উপমহাদেশই লাভবান হবে। তিনি বলেন, 'ভারত যদি আমাদের দিকে এক পা এগিয়ে আসে তবে আমরা তাদের দিকে দু পা এগিয়ে যাব। এখন অবধি সবটাই এক পাক্ষিকভাবে চলছে। ভারত সমানে পাকিস্তানের উপর দোষ চাপিয়ে যাচ্ছে।'

বানিজ্যিক বন্ধন
ইমরান জানান, শুধু দুই দেশের লাভের জন্যই নয়, সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার লাভের জন্যই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বানিজ্যিক বন্ধন বাড়ান উচিত। এতে করে উপমহাদেশের দারিদ্র দূর হবে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, 'আমার বিশ্বাস উপমহাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ভারত ও পাকিসেতানের মধ্যে বানিজ্য বৃদ্ধি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।'

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকায় তিনি ব্যথিত বলে জানিয়েছেন কিং খান। তাঁর মতে নির্বাচনের আগে গত কয়েক মাসে ভারতীয় মিডিয়া তাঁকে প্রায় বলিউডি খলনায়ক বানিয়ে দিয়েছিল। তিনি বলেন, 'আমি সেই পাকিস্তানিদের একজন যে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে চায়। ভারত বোধহয় ভেবেছিল ইমরান খান ক্ষমতায় এলে বোধহয় সব খারাপ হবে। '

ভারতের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা
ইমরাণ দাবি করেন, 'আমার ক্রিকেটের দিনগুলোর দৌলতে আমি ভারতের অধিকাংশ মানুষকে বুঝি। জানি তারা কি চায়। আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দারিদ্র দূর করতে পারি। সবচেয়ে বড় সমস্যা অবশ্যই কাশ্মীর। '












Click it and Unblock the Notifications