ভারতের সঙ্গে সুস্পর্কে কাঁটা ইমরান খানই, পাক সেনার চাঞ্চল্যকর দাবি প্রকাশ্যে
ইমরানকে নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাক সেনা। সূত্রের খবর, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সুসম্পর্ক তৈরি হোক সেটা চান না ইমরান খানই। তিনি পরিকল্পনা করে ভারতের সঙ্গে সসম্পর্ক তৈরি করতে বাধা দিচ্ছেন। প্রাক্তন পাক সেনা প্রধান জেনারেল বাজওয়া নাকি ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রী থাকতে একাধিকবার ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরির পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে রাজি হননি ইমরান

ইমরান খানই ভারতের সঙ্গে পাকিস্তনের সুসম্পর্ক তৈরির কাঁটা। এই নিয়ে তুমুল তোলপাড় শুরু হয়েছে পাকিস্তানে। অত্যন্ত সংকট জনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। একদিকে রাজনৈতিক টানাপোড়েন অন্যদিকে অর্থনৈতিক সংকট। এই পরিস্থিতিতে পাক সেনার দাবি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইমরান খানের প্রত্যাবর্তন ঘটলে পাকিস্তান আরও সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পাক সেনা।
ইমরান খানকে গ্রেফতার করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে পাক প্রশাসন। তাই নিয়ে দফায় তেহেরিক ই ইনসাফের অনুগামীদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়েছে পুলিশের। ইমরান খানের বাড়ি আগলে রেখেছেন তার অনুগামীরা। কিছুতেই ইমরান খানকে তাঁরা গ্রেফতার হতে দেবেন না বলে দাবি করেছেন। লাহোর থেকে শুরু পাকিস্তানের একাধিক জায়গায় পুলিশের সঙ্গে তেহেরিক ই ইনসাফের কর্মী সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে চলেছে।
এদিকে আবার ইমরানের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য দিয়ে চলেছে পাক সেনা। তারা দাবি করেছে ইমরান খান পাক সংবিধানের পক্ষে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইমরান খান ক্ষমতায় ফিরলে প্রতিশোধের রাজনীতি করবে। পাকিস্তানের সাংবিধানিক পরিবর্তন ঘটিয়ে দেবেন তিনি। এমনই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে পাক সেনা। ইমরান খানের কারণেই চিন, আমেরিকা, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে তিক্ততা তৈরি হয়েছে।
প্রাক্তন পাক সেনা প্রধান জেনারেল বাজওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে শুরু করবেন ইমরান খান। কারণ বাজওয়া বারবার ইমরান খানকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরির পরামর্শ দিয়েছিলেন। প্রথমে জেনারেল বাজওয়ার সঙ্গে গলাগলি সম্পর্ক ছিল ইমরামনের। কিন্তু পরে জানা যায় জেনারেল ফৈয়াজকে সেনা প্রধান করতে চেয়েছিলেন ইমরান খান। পাক আইএসআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেলের পদ থেকে ফৈয়াজকে সরিয়ে দেয় পাক সেনা। তাতেই বাজওয়ার সঙ্গে সম্পর্কে ভাঙন ধরে ইমরানের।
ইমরান খানের রাশিয়া সফরে আপত্তি জানিয়েছিলেন বাজওয়া। কিন্তু তিনি কথা শোনেননি। রাশিয়াতে নামার পরেই তাঁকে বিমান বন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছিল। ইমরানের এই পদক্ষেপের পরেই আমেরিকা, সৌদি আরব সহ একাধিক বন্ধু দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।












Click it and Unblock the Notifications