Pakistan: নির্বাচনে আর লড়তে পারবেন না ইমরান! নতুন করে ভোট ঘোষণার পথে পাকিস্তান
Pakistan: বুধবার পাকিস্তানের সংসদ ভেঙে দেওয়া কথা। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সেখানে নির্বাচন হবে। অন্যদিকে ইমরান খান আপাতত নির্বাচনে আর লড়াই করতে পারবেন না। এই মুহূর্তে দুর্নীতির দায়ে ইমরান খান কারাগারে বন্দি।
প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা ইমরান খানকে গত বছরের এপ্রিলে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। যার পরিণতি ইমরানের দলের ওপরে নিষেধাজ্ঞা। এরপর গত সপ্তাহে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পাকিস্তানের আইন অনুসারে সংসদ ভেঙে দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে বিদায়ী সরকার ইতিমধ্যেই সতর্ক করে জানিয়েছে ভোট প্রক্রিয়ায় দৈরি হতে পারে। গত ১৮ মাসে পাকিস্তানে পরিবারবাদী বিরুদ্ধ দলগুলির মধ্যে জোট হয়। এইদলগুলি ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে একসঙ্গে হয়েছিল। এই সময়ে তারা খুব বেশি মানুষের জনসমর্থন পায়নি।
পাকিস্তানের বিদায়ী সরকার বৈদেশিক ঋণের সামনে কার্যত পঙ্গু হয়ে পড়েছে। সঙ্গে রয়েছে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি। পাকিস্তানের হাতে বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে অনেক কারখানা বন্ধ। বেড়েছে বেকারত্ব। সবমিলিয়ে অর্থনীতি মন্দা অবস্থায় রয়েছে।
পাকিস্তানে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের কারণে সেখানে নির্বাচন বিলম্বিত হতে পারে বলে গত কয়েকমাস ধরেই জল্পনা চলছে। ভোট যদি দেরিতে হয়, তবে মুসলিম লিগ নওয়াজ এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির মতো দলগুলি হাতে সময় পাবে।
অন্যদিকে নির্বাচন দেরি হলে জনগণ আরও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারে। যা বিরোধী শক্তিকে শক্তিশালী করতে পারে। গত কয়েক মাসে দেশে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সাধারণভাবে পাকিস্তানের যে কোনও নির্বাচনের পিছনে থাকে সেনাবাহিনী। ভারত ভাগের পর থেকে সেনাবাহিনী অন্তত তিনটি সফল অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে।
ইমরান খান যখন ২০১৮-তে ক্ষমতায় এসেছিলেন, সেই সময় তাঁর পিছনে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন ছিল। আবার বিশ্লেষকরা বলে থাকেন, তাঁর পিছনে শক্তিশালী জেনারেলের আশীর্বাদ ছিল।
ক্ষমতায় আসার পরেই ইমরান তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেন।
এদিকে সাম্প্রতিক মাসগুলিতে ইমরান খানের বিরুদ্ধে ২০০-র বেশি মামলা হয়েছে। ইমরান খানের অভিযোগ এইসবই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তাঁকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংসদ ভাঙার পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ দলীয় রাজনীতিক ঊর্ধ্বে ওঠে নির্বাচন পরিচালনা করা। সেখানে আরও খেয়াল রাখতে হবে যে রাজনীতিবিদ ও সামরিক বাহিনী মধ্যে রাজনৈতিক লড়াই যেন তৈরি করা না হয়।












Click it and Unblock the Notifications