'আমি স্পষ্টভাবে জানতে চাইছি ইউক্রেন NATO-র সদস্য হবে কিনা', বললেন জেলেনস্কি
'আমি স্পষ্টভাবে জানতে চাইছি ইউক্রেন NATO-র সদস্য হবে কিনা', বললেন জেলেনস্কি
যুদ্ধের ময়দান থেকে বারবার ন্যাটোর সদস্য, আমেরিকা, কিংবা UNO-র কাছ থেকে সাহায্য চেয়েও কোনও সামরিক সমর্থন পায়নি ইউক্রেন৷ এবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সরাসরি ন্যাটোর কর্তাদের জিজ্ঞেস করলেন যে ইউক্রেনকে কি ন্যাটোর সদস্যপদ দেওয়া হবে নাকি নয়? প্রসঙ্গত ২০০৮ সালে ন্যাটোর পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে ইউক্রেন একদিন তাদের জোটে যোগ দেবে৷ এরপর বারবার সে বিষয়ে আবেদন জানিয়েছে রাশিয়ার চাপে থাকা দেশটি৷ শেষ ২০২১ জানুয়ারিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বাইডেনের কাছে আবেদন জানান। তবে এখনও ইউক্রেনকে ন্যাটোভুক্ত করেনি NATO-র কর্তারা৷ এদিকে বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধ যুদ্ধ ঘোষণা করেছে রাশিয়া।

অন্যদিকে কিয়েভে সামরিক আগ্রাসনের জন্য রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও এখনও পর্যন্ত ইউক্রেনের ন্যাটোর সদস্যপদ নিয়ে হ্যাঁ বলেনি আমেরিকা৷ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ন্যাটো সদস্যপদ নিয়ে ন্যাটোর সদস্যমদেশগুলির নীরবতায় অখুশি৷ এবল এবিষয়ে ইউরোপের নেতাদের নীরবতা ভাঙার আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, আজ আমি ইউরোপের ২৭ নেতাকে জিজ্ঞেস করেছি ইউক্রেন ন্যাটোতে থাকবে কি না। সরাসরি জিজ্ঞেস করলাম। কিন্তু সবাই ভয় পায়, উত্তর দেয় না।
স্বাভাবিকভাবেই উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের জবাবে ন্যাটোর পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আমেরিকা। ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের ১২ সদস্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ন্যাটো। এখন, ন্যাটো একটি ৩০ সদস্যের সামরিক জোট। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই সময় ন্যাটো ইউক্রেনকে সদস্যপা দেওয়া মানে তা সরাসরি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার সামিল তাই একটু সামলেই কোনও সিদ্ধান্ত চাইছেন ন্যাটোর কর্তারা৷
তবে একেবারেই কি কিছু করছে না আমেরিকা? না সেটা নয়, ইউক্রেনে বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পর রাশিয়াকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। জো বাইডেন বলেছিলেন মিত্র শক্তিগুলির সঙ্গে এক হয়ে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়াবে আমেরিকা৷ যদি এই হুঁশিয়ারিই সার হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যন্ত সেরকম কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি আমেরিকাকে, কেবলমাত্র বেশ কিছু ক্ষেত্রে রাশিয়াকে অর্থনৈতিক অবরোধ করেছে আমেরিকা৷ তবে ওয়াশিংটন পোস্টের সামরিক সংবাদদাতা ড্যান ল্যামোথ একটি টুইটে জানিয়েছেন এবার এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং রোমানিয়াতে এফ-৩৫এস যুদ্ধবিমান পাঠাতে চলেছে আমেরিকা!












Click it and Unblock the Notifications