করোনা থাবা বসাল হায়নার উপর, ডেনভার চিড়িয়াখানায় জারি চরম সতর্কতা
করোনা থাবা বসাল হায়নার উপর, ডেনভার চিড়িয়াখানায় জারি চরম সতর্কতা
বাঘ, সিংহ নয় এবার হায়নার শরীরেও দেখা দিল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। ডেনেভার চিড়িয়াখানা করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছে হায়নার শরীরে। চিড়িয়াখানার দুটি হায়নার শরীরেই মিলেেছ করোনা ভাইরাস। চিড়িয়াখানায় একাধিক সিংহ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তারপরেই তাঁদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরেই গবেষণাগারের পরীক্ষা করে দেখা গিেয়ছে হায়নাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রণ হয়।

আমেরিকার কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছিল দুটি স্পটেড হায়নার রক্তের নমুনা। সেখানেই পরীক্ষা করে জানা যায় তাঁদের শরীরে করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছে। তারপরেই চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করেছে। এখনও পর্যন্ত ডেনেভার চিড়িয়াখানায় ২টি হায়না সহ ১১টি পশুর শরীরে করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তবে হায়নার শরীরে করোনা ভাইরাস থাবা বসানোর বিশেষ উদ্বেগে পশু চিকিৎসক এবং গবেষকরা। কারণ পশুদের মধ্যে হায়নার রোগ প্রতিরোধক শক্তি সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হয়। অ্যানথ্রাক্স, ব়্যাবিসের মত ভয়ঙ্কর সব মারণ সংক্রমক রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হায়না। কিন্তু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করতে পারেনি তারা। তাতেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন গবেষকরা।
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২২ বছরের নগোজি এবং ২৩ বছরের কিবো নামে হায়নার শরীরে করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছে। হায়না গুলি করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার পর যেসব উপসর্গ তাদের শরীরে দেখা গিয়েছে তার মধ্য সর্দি, কাশির পাশাপাশি রয়েছে ক্লান্তি ভাব। এখনও পর্যন্ত এই চিড়িয়াখানায় যে কয়েকজন পশু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তারা সকলেই সুস্থ হয়ে উঠেছে। বিশ্বে প্রায় ৩০০০ পশুর মধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তবে গবেষকরা আস্বস্ত করেছেন পশুদের থেকে মানুষের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর প্রবণতা অনেকটাই কম বলে জানা গিয়েছে।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর গবেষকরা জানিয়েছিলেন বাড়ির পোষ্যকেও সাবধানে রাখুন। পশুদের মধ্যেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু গত এক বছরে তেমন ভাবে পশুদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যায়নি। তবে বাড়ির পোষ্যদের সাবধানে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন গবেষকরা। ভারতে এখনও পর্যন্ত কোনও চিড়িয়াখানায় তেমন ভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যায়নি। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে গোটা দেশে চিড়িয়াখানা বন্ধ রাখা হয়ছিল। করোনা সংক্রমণ করার পর কয়েক মাস পরে চিডিাখানা খোলা হয়। তবে মাস্ক ছাড়া কাউকে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications