সোনা-তামার বিপুল পরিমাণে সন্ধান মিলল এই দেশে! ব্যাপক বিনিয়োগের আশা
সোনা-তামার বিপুল পরিমাণে সন্ধান মিলল এই দেশে! ব্যাপক বিনিয়োগের আশা
সোনা এবং তামার বিপুল পরিমাণে সন্ধান মিলল সৌদি আরবে (Saudi Arabia)। এমনিতেও তেলের ভান্ডারের উপর বসে এই দেশ। এবার পবিত্র শহর মদিনাতে সোনা এবং তামার ভান্ডারের (discovery of new sites for gold and copper) খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে বড় ঘোষণা। এই বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালাচ্ছিলেন সে দেশের বিজ্ঞানীরা। অবশেষে বড় সাফল্য। সৌদি ভূতাত্ত্বিক টিমের (Saudi Geological Survey) তরফে ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে।

সোনা এবং তামার ভান্ডার
Saudi Geological Survey-এর তরফে টুইট করে সোনা এবং তামার ভান্ডার পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। টুইটার পোস্টে বলা হয়েছে, মদিনা (Medina) অঞ্চলের আবা আল-রাহার সীমানার মধ্যে সোনার আকরিক আবিষ্কৃত হয়েছে। শুধু তাই নয়, মদিনার ওয়াদি আল-ফারা এলাকায় আল-মাদিক অঞ্চলের চারটি স্থানেও বিশাল তামার আকরিক আবিষ্কৃত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আধিকারিকরা। অন্যদিকে বিশাল এই ভান্ডার আবিস্কার হওয়ার পরেই কিংডমের ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা দফতর সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছে, "আমাদের আবিষ্কারের মাধ্যমে, আমরা বিশ্বের জন্য আরও আশাব্যঞ্জক বিনিয়োগের সুযোগ খুলে দিচ্ছি।"

৪,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে
অন্যদিকে অল অরবিয়ার একটি রিপোর্ট অনুসারে, বিশাল এই সোনার এবং তামার ভান্ডারের আবিস্কার দেশের অর্থ ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে বলে মত। শুধু তাই নয়, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সে দেশের প্রতি আরও বেশি করে আকর্ষণ করবে বলেও মত সে দেশের আধিকারিকদের। শুধু তাই নয়, সোনা এবং তামার ভান্ডারের আবিস্কার নয়া পথ খুলে দিয়েছে বলেও মত সে দেশের। অন্যদিকে আধিকারিকরা আরও জানাচ্ছেন, নতুন আবিষ্কৃত সাইটটিতে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলারের প্রত্যাশিত বিনিয়োগ রয়েছে। এমনকি ৪,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলেও আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, ৪০ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকা জুড়ে রয়েছে এই সম্পদ। এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

৫ হাজার ৩০০ এরও বেশি খনিজ রয়েছে
পাশাপাশি সৌদি ভূতাত্ত্বিক সমবায় ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল আজিজ বিন লাবন জানিয়েছেন, সৌদি আরবের ভান্ডারে ৫ হাজার ৩০০ এরও বেশি খনিজ রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধাতব ও অধাতু শিলা, নির্মাণ সামগ্রী, শোভাময় শিলা এবং রত্ন। ইতিমধ্যে বিশাল তেলের ভান্ডারে বসে সৌদি। সে দেশের অর্থনীতি বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশকে পিছনে ফেলে দেবে। এই অবস্থায় বিপুল পরিমাণ এই সম্পদের খোঁজ সে দেশকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে তুলবে বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ সাহায্য করবে বলেও মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications