নেকড়ের পেটের মধ্যে দুই বাহুর সর্পিল ছায়াপথ! হাবল স্পেস টেলিস্কোপের ছবিতে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
মহাকাশ, এই কথাটির সঙ্গে লুকিয়ে রয়েছে হাজার বিস্ময়। রাতের বেলা আকাশের দিকে তাকালে নজরে পড়ে কোটি কোটি তারা। কিন্তু সেই সব তারার মাঝে লুকিয়ে রয়েছে কত না জানার রহস্য। মানব সমাজ এবং বিজ্ঞানের কাছে বরাবর সব থেকে রহস্যময় এই মহাকাশ। তবে মহাকাশকে আবিষ্কার করার নিরন্তর প্রচেষ্টা, আরও বেশি করে যেন কোথাও এর গভীরতাকে সামনে আনে।
এই পৃথিবী এবং সৌরজগৎ আকাশ গঙ্গা ছায়া পথের অংশ। গোটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে অত্যন্ত ক্ষুদ্র ধূলিকণার মত অবস্থান আমাদের সৌরজগতের এর বাইরে ছড়িয়ে রয়েছে এমন অজস্র নক্ষত্র জগত, গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু, নীহারিকা, তারামণ্ডল। কী আছে সেখানে? কেমনই বা দেখতে এই মহাজাগতিক বস্তুগুলি তা জানতে নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের ইসরো বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাসার মতো মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এবার বিজ্ঞানীদের সামনে এলো আরও এক নতুন বিস্ময়কর চমক।

আকাশ গঙ্গা ছায়াপথের মতোই ব্রহ্মাণ্ডে অবস্থান করছে লুপাস নক্ষত্র মন্ডলী। অতি সম্প্রতি সেই নক্ষত্রমন্ডলীর মধ্যেই এক বিশালাকার ছায়া পথের সন্ধান পেয়েছে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। ল্যাটিন শব্দ লুকাস কথার অর্থ নেকড়ে বাঘ। আর তা ঠিক মাঝখানে এই নতুন ছায়াপথের অবস্থান ঠিক যেন বিশাল সাপের মত। হাবল স্পেস টেলিস্কোপের হাই রেজুলেশন ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই ছায়াপথের ছবি। এর অবস্থান পৃথিবী থেকে প্রায় ৪ কোটি আলোকবর্ষ দূরে!
একটি নয়, সর্পিল অতি উজ্জ্বল এই ছায়া পথের রয়েছে দুটি বাহু। সঙ্গে রয়েছে লালচে খয়েরি নীহারিকা। আর এই জাতীয় নেবুলা থেকেই জন্ম নেয় নতুন নক্ষত্র এবং গ্রহের। তবে সব থেকে আশ্চর্যের বিষয় এই ছায়াপথের মধ্যেই নতুন একটি কৃষ্ণ গহ্বর বা ব্ল্যাক হোলেরও সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই গোটা ছায়াপথটির নাম রাখা হয়েছে এনজিসি ৫৬৪৩।












Click it and Unblock the Notifications