সেকেন্ড ওয়েভের ধাক্কায় বিপর্যস্ত ভারত, করোনার আঁতুড়ঘর উহানে ধরা পড়ল অন্যছবি
সেকেন্ড ওয়েভের ধাক্কায় বিপর্যস্ত ভারত, করোনার আঁতুড়ঘর উহানে ধরা পড়ল অন্যছবি
২০২০ সালে উহানের কথা ভাবলেই কেঁপে ওঠেন অনেকেই। শয়ে শয়ে ভারতীয় এক প্রকার সেখান থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। ঠিক তার এক বছর পড়ে ভারত কিন্তু আবার সেই আগের জায়গায় ফিরে গিয়েছে। করোনার সেকেন্ড ওয়েভের ধাক্কায় কাঁপছে। কিন্তু যেখান থেকে ছড়িয়েছিল করোনা সেই উহানে ধরা পড়ল অন্য ছবি। একেবারে স্বাভাবিক সেখানকার জনজীবন। শপিং মল থেকে দোকান বাজার,রাস্তা, অফিস, আদালত, ব্যাঙ্ক সর্বত্র জমজমাট।

ভারতে সেকেন্ড ওয়েভের ধাক্কা
করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কায় বিপর্যস্ত ভারত। দৈনিক সংক্রমণে বিশ্বে রেকর্ড গড়ে ফেলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩২ হাজারের বেশি মানুষ। দেশে তীব্র অক্সিজেন সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে সরকার। কীভাবে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ করা যায় এই নিয়ে প্রতিনিয়ত পর্যালোচনা এবং বৈঠক করে চলেছেন তাঁরা।

উহানে ভিন্ন চিত্র
একদিকে যখন দ্বিতীয় ঢেউয়ে কাঁপছে দেশ। তখন চিনের উহান কিন্তু ফিরে গিয়েছে সেই আগের মেজাজে। শপিং মলে ভিড় করছেন মানুষ। রাস্তা ঘাটে আগের মতই জন সমাগম। সপ্তাহান্ডে জমজামাট নাইট ক্লাব, পাব, বার। হোটেল রেস্তরাঁতেসেই আগের মতই ভিড়। স্কুল , কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব খুলে গিয়েছে। মানুষ নির্ভয়েই বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছেন। কিন্তু একটি কথা সবাই অক্ষরে ক্ষরে মেনে চলছেন সেটা মাস্ক। মাস্ক ছাড়া কেউ রাস্তায় বেরোচ্ছেন না। হয় এন ৯৫ মাস্ক না হেল সার্জিকাল মাস্ক পরে থাকছেন সকলেই।

মাস্ক ছাড়া গতি নেই
করোনা সংক্রমণের প্রথম দিন থেকেই চিকিৎসক গবেষকরা সকলেইএকটাই কথা বলে আসছেন। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে একটাই পথ রয়েছে সেটা মাস্ক। বাইরে বেরোনেই মুখে মাস্ক রাখতে হবে। এবং সেইমাস্ক অবশ্যই হতে হবে সঠিক। সঠিকভাবে সেই মাস্ক যেন মুখে পরা থাকে। নাকের কাছে আলাগা, গলার কাছে ঝুলছে এমন মাস্ক পরলে কিন্তু হবে না। কঠোর অনুশাসনে আজ আঁতুড়ঘরেই কোণঠাসা করোনা।

মাস্কে অনিহা ভারতের
করোনা সংক্রমণের প্রথম দিন থেকেই ভারতে মাস্ক নিয়ে অনিহা লক্ষ্য করা গিয়েছে। করোনা সেকেন্ড ওয়েভের মধ্যেও মাস্ক পরা নিয়ে লুকোচুরি খেলা চলছে। বারবার সতর্ক করার পরে সহজে কেউ মাস্ক পরতে চাইছে না। রাস্তায় পুলিশ নামিয়ে লাভ হচ্ছে না। সুযোগ পেলেই মুখ থেকে মাস্ক খুলে ফেলছেন বেশিরভাগ মানুষ। এমনকী বারবার সচেতন করে লাভ হচ্ছে না। যুব প্রজন্মের সিংহভাগই মাস্ক পরতে চাইছেন না। এমনকী প্রবীণরা মাস্ক পরতে অনিহা দেখাচ্ছেন।যার জেরেই করোনা নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications