জঙ্গি নেতার দেহ ফুঁড়ে বেরিয়ে গেল মিসাইল, ঘরে অক্ষত স্ত্রী-মেয়ে, কীভাবে সম্ভব করল আমেরিকা
জঙ্গি নেতার দেহ ফুঁড়ে বেরিয়ে গেল মিসাইল, ঘরে অক্ষত স্ত্রী-মেয়ে, কীভাবে সম্ভব করল আমেরিকা
৩১ জুলাই সকলের ঘুম ভাঙার আগেই কাজটা শেষ করেছিল আমেরিকা। আফগানিস্থানের সময় অনুযায়ী তখন সকাল সাড়ে ৬টা ১৮ মিিনট বাজে। সকালের নমাজ পড়ার পরেই নিজের ঘরের সামনের বার্ান্দায় বেরিয়ে এসেিছলেন আল কায়দার শীর্ষ নেতা আয়মান আল জাহিরি। সঙ্গে সঙ্গে দুটো মিসাইল তাঁর দেহ ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। ঘরে তখনও ঘুমন্ত তাঁর স্ত্রী ও মে। তাঁরা ২ জনেই রইলেন অক্ষত। মিসাইলের পুরো ধাক্কাটাই ছিল বাডির ব্যালকনিতে। ঘরের ভেতরে তার কোনও ক্ষতি হয়নি।

কী করে সম্ভব হল এটা। মিসাইল কেবল আলকায়দা জঙ্গি নেতাকে মারল অথচ বাড়ির আর কোনও অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হল না। ড্রোনের সাহায্যে এই মিসাইল ছোড়া হয়েছিল। বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি এই মিসাইল কেবল মাত্র আঘাত হানতে পারে টার্গেেট। আর কোনও কিছুতে আঘাত হানতে পারে না তারা। জঙ্গি মোকাবিলায় ২০০১ সালে তৈরি করা হয়েছিল এই মিসাইলটি।
শুধু ড্রোন নয় একাধিক মাধ্যমে এই মিসাইল ব্যবহার করা হতে পারে। হেিলকপ্টার,জাহাজ এবং যেকোনও রকম গাড়ি থেকে এই মিসাইল পরিচালনা করা যায়। অর্থাৎ সব মাধ্যমেই এই মিসাইল। দূর থেকেই এই মিসাইলের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যখন ড্রোনে মিসাইলটি লাগানো হয়েছিল।তখন সেটি পরিচালনা করছিলেন এসি রুমে বসে থাকা কোনও ব্যক্তি। ভিডিও গ্রাফির মাধ্যমে পরিচালকের কাছে পুরো ছবিটি পরিষ্কার ছিল। কারন ড্রোনের মধ্যে ক্যামেরা বসানো ছিল। যার ফলে মিসাইল টার্গেটে পৌঁছচ্ছে কিনা সেটা সে জানতে পারত। একবার মিসাইটি টার্গেট করা হয়ে গেলে সেটি সেই পয়েন্টে গিয়েই আঘাত হানে। ক্যামেরার মাধ্যমে টার্গেট তৈরি করা হয় মিসাইলটি ছোড়ার আগে।
সেকারণে মিসাইলটি যখন ছোড়া হয়েছিল তখন ড্রোনটি টার্গেট করে ফেলেছিল আল-কায়দা নেতােক। আলকায়দা নেতা যে ঠিক সেই সময় প্রতিদিন বারান্দায় আসেন সেকথা আগেই জানা ছিল মার্কিন গোয়েন্দাদের। সেই মতই পরিকল্পনা সাজিয়ে ছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আঘাত হানার জন্য পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার করেছিল তারা।












Click it and Unblock the Notifications