পাক জঙ্গি মুক্তির দাবিতে সিনাগগে হামলা আততায়ীর
পাক জঙ্গি মুক্তির দাবিতে সিনাগগে হামলা আততায়ীর
ইহুদী প্রার্থনাস্থল অর্থাৎ সিনাগগে হামলা চালাল আততায়ীরা। আর এই ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হল গোটা মার্কিন মুলুক। ঘটনা ভারতীয় সময় অনুযায়ী রাতের। আচমকাই সিনাগগে হয় হামলা।

আমেরিকার টেক্সাসে ওই প্রার্থনাসভায় হামলা চালায় কয়েকজন সশস্ত্র আততায়ী। তারা সিনাগগের ইহুদি পুরোহিত সহ কমপক্ষে তিনজনকে বন্দি বানিয়ে রেখেছে বলে খবর মিলেছে। তারা এক পাক জঙ্গিকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বলে জানা যায়। তাই সে এই হামলা চালিয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের কাছে সে দাবি জানায়, অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে আফিয়া সিদ্দিকিকে৷
কে এই আফিয়া সিদ্দিকি? জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা অফিসারদের খুনের চেষ্টার অভিযোগে এই জঙ্গিকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল মার্কিন আদালত৷ তাকে ছাড়ানোর জন্যই এই হামলা।
সূত্রের খবর, অন্তত ৪-৫ জন ভিতরে আটকে পড়েন ওই বন্দুকবাজের হাতে। জানা গিয়েছে খবর দ্রুত পৌঁছে যায় ইজরায়েলে। পণবন্দিদের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে নাগাড়ে কথাবার্তা চালায় ইজরায়েল প্রশাসন। পরে জানা যায় পণবন্দিদের কোনও ক্ষতি করেনি আততায়ী৷ তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে৷ হোয়াইট হাউসের নির্দেশে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এফবিআই-এর আধিকারিকরা৷ উপাসনাস্থান ঘিরে রাখে টেক্সাস, ডালাসের পুলিস৷এমন ঘটনার পর বন্দুকবাজের সঙ্গে প্রায় ১০ ঘণ্টা বেশি সময় ধরে কথা বলে মার্কিন প্রশাসন৷ ওই সময়েই প্রথমে এক পণবন্দিকে মুক্তিও দেয় ওই হামলাকারী। পরে সবাইকেই মুক্তি দেয়।
এই অফিয়া সিদ্দিকি আল কায়েদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে টেক্সাসের জেলে বন্দি অফিয়া। মার্কিন সেনাদের খুনের চেষ্টার অভিযোগে ২০১০ সালে নিউইয়র্কের আদালত ৮৬ বছরের কারাদণ্ড দেয়৷ এক যুগ আগের সেই ঘটনার মামলা ঘিরে পাকিস্তানে সেই সময় যথেষ্ট রোষ ছড়িয়ে পড়েছিল৷ বারো বছর আগের সেও ঘটনার প্রভাব পড়ল এত বছর পর।












Click it and Unblock the Notifications