Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Hindenburg Shuts down: ট্রাম্প ফিরতেই ভয়ে কাঁপছে হিন্ডেনবার্গ! আগেভাগে পাততাড়ি গুটিয়ে পার পাবে সংস্থা?

Hindenburg Shuts down: ঝাঁপ বন্ধ করতে চলেছে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ (Hindenburg Research)। নিকোলা কর্পোরেশন থেকে শুরু করে আদানি গ্রুপ (Adani Group), বেছে বেছে সংস্থাদের টার্গেট করে অতিরঞ্জিত (Exaggerated) রিপোর্ট প্রকাশ করার জন্য সিদ্ধহস্ত এই সংস্থা।

২০১৭ সালে ন্যাথান অ্যান্ডারসনের (Nathan Anderson) হাত ধরে পথ চলা শুরু আমেরিকার শর্ট শেলিং ফার্ম হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের। ৮ বছর বাদে হঠাৎ কেন পাততাড়ি গোটাচ্ছে সংস্থা? উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর সব দাবি।

Hindenburg Shuts down

হিন্ডেনবার্গ কর্তা অ্যান্ডারসনের অবশ্য দাবি, সংস্থা বন্ধ করার নেপথ্যে কোনও হুমকি ধমকি নেই। ব্যক্তিগত কারণেই নাকি তিনি সংস্থা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, মার্কিন মসনদে পালাবদলের পরই থরহরি কম্প হিন্ডেনবার্গ। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর নবগঠিত মার্কিন প্রশাসন একাধিক কঠোর নিয়মাবলী রূপায়ণ করতে পারে, এই আশঙ্কা থেকেই তড়িঘড়ি বন্ধ হচ্ছে হিন্ডেনবার্গ।

ক্ষমতায় আসার পর প্রত্যেক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খুঁটিনাটি পরীক্ষা করবে ট্রাম্পের সরকার। বিশ্ব বাজারে যে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যাঘাত ঘটানো হচ্ছে, তারই সরেজমিনে তদন্ত করে দেখতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, সেই ভয় থেকেই গুটি গুটি পায়ে পিছিয়ে যাচ্ছে হিন্ডেনবার্গ। আবার একাধিক গবেষকের মতে, হিন্ডেনবার্গের গবেষণা আদতে সংঘটিত অপরাধের সমান।

তাদের আরও দাবি, মার্কিন ধনকুবের সোরসের (George Soros) মদতে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতেই ময়দানে নেমেছে এই হিন্ডেনবার্গ। স্বাধীনভাবে তদন্তের নামে বিদেশি অর্থনীতিকে টার্গেট করে আর্থিক অচলাবস্থা তৈরি করাই এদের মতলব।

অনেকে আবার এর নেপথ্যে বাইডেন সরকারের প্ররোচনাও রয়েছে বলে দাবি করছেন। তাদের মতে, একাধিক দেশের অর্থনীতিতে অচলাবস্থা তৈরি করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অবনতি ঘটানো ও বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ নষ্ট করাই এদের কাজ।

উদাহরণ হিসেবে আদানি গোষ্ঠীকেই ধরা যেতে পারে। হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের জেরে ভারতের অন্যতম বড় শিল্পগোষ্ঠীকে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। প্রশ্ন রয়েছে, এই রিপোর্ট প্রকাশের সময়ক্ষণ নিয়েও। দক্ষিণ এশিয়ায় যখন একাধিক রাজনৈতিক অরাজকতার বাতাবরণ চলছে, তখনই আদানিদের রিপোর্ট প্রকাশ করে গ্লোবাল সাউথের নেতৃত্ব প্রদানকারী অন্যতম দেশ ভারতের অর্থনীতিকে পঙ্গু করার চেষ্টায় মেতেছিল হিন্ডেনবার্গ।

ট্রাম্প আসতেই এধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তদন্ত চালানো হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের এও দাবি, বিশ্ব বাজারে ব্যাঘাত ঘটানো ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলিকে সর্বদা নিরীক্ষণের আওতায় আনতে পারে নতুন মার্কিন প্রশাসন।

আর তা থেকেই গা বাঁচাতে আগেভাগে পাততাড়ি গুটিয়ে ফেলছে হিন্ডেনবার্গ। যার জেরে বর্তমানে হিন্ডেনবার্গের পরিচালন পদ্ধতি, ফান্ডিং ও রাজনৈতিক মধ্যস্থতা নিয়ে যে সন্দেহের অবকাশ তৈরি হচ্ছিল, তাও এক লহমায় নিঃশেষ করে দিতে চাইছে সংস্থাটি।

হিন্ডেনবার্গ যেমন একাধারে জনমতের মেরুকরণ ঘটানোর জন্যে কুখ্যাত, তেমনই বড় বড় সংস্থার 'পর্দাফাঁস' করার জন্যে বিরোধীদের প্রশংসাও কুড়িয়েছে। যদিও শর্ট সেলিং নিয়ে আর্থিক অচলাবস্থা ঘটানোর জন্য বারবার সমালোচিত হয়েছে তারা। তবে সংস্থা ঝাঁপ ফেললেও বিতর্কের টেবিল ছেড়ে এখনই কেউ উঠছে না। বরং হিন্ডেনবার্গের এতদিনের পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক আরও উসকে দিল সংস্থার এই সিদ্ধান্ত।

তবে বিদায়ী ভাষণে অ্যান্ডারসন তাদের তদন্ত পদ্ধতি নিয়ে ব্যাখা দিয়েছেন। যাতে করে আগামীর সংস্থাগুলির ব্লু প্রিন্ট তৈরিতে সমস্যা না হয়। আর তাই ভবিষ্যতে পেছন থেকে যে হিন্ডেনবার্গ কলকাঠি নাড়বে না, সে জল্পনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। হিন্ডেনবার্গ বিদায় নিলেও কোন কোন সমগোত্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলি এবার ট্রাম্প সরকারের সাঁড়াশি চাপে পড়তে চলেছে, সেদিকেই নজর থাকবে গোটা বিশ্বের।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+