কাবুল জোড়া বিস্ফোরণের নেপথ্যে পাক আইএসআইএস প্রধান? কে এই মাওয়ালায়ি আবদুল্লাহ ফারুকী?
কাবুল জোড়া বিস্ফোরণের নেপথ্যে পাক আইএসআইএস প্রধান? কে এই মাওয়ালায়ি আবদুল্লাহ ফারুকী?
বৃহঃষ্পতিবার সন্ধ্যায় আচমকাই জোড়া বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কাবুল। ছত্রখান হয়ে যায় বিমানবন্দর চত্বর। এই ভয়াবহ হামলায় ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ৯০ পার করেছে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে গতকাল রাতেই এই ঘটনার দায়ভার স্বীকার করেছে ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আইসিস। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা দফতরের এক সূত্র মারফত খবর, এই নারকীয় বিস্ফোরণের জন্য দায়ী খুব সম্ভব আইসিসের খোরাসান শাখা সংগঠন। উঠে আসছে সদ্য জেল থেকে মুক্তি পাওয়া একাধিক কুখ্যাত জঙ্গির নাম।

মূল চক্রী পাকিস্তানের আইএসআইএস-র প্রধান ?
সূত্রের খবর, এই হামলার মূল চক্রী হিসাবে উঠে আসছে পাকিস্তানের আইএসআইএস-র প্রধান মুখ আমির মাওয়ালায়ি আবদুল্লাহ ফারুকীর নাম। এদিকে এর আগে লষ্কর-ই-তৈবা ও তেহরিক-ই-তালিবানের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন ফারুকী। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে মাওলবী জিয়া-উল-হক ওরফে আবু ওমর খোরাসানীর বদলে আইসিসের খোরাসান শাখার প্রধান হিসেবে দায়ভার নেন।

রক্তের দাগ তালিবানদের গায়েও
এদিকে তালেবানরা কাবুল দখল করার পরেই একাধিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের জেলবন্দি জঙ্গিদের মুক্তি দিতে শুরু করে। আর তখনই ফারুকী সহ অন্যান্য সন্ত্রাসীদেরও আফগান কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এদিকে এই নক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা করেছে তালিবানেরাও। এদিকে সংহিংসতার ইতিহাস মানুষ মারা খেলায় তালিবানের থেকে বহু গুণ বেশি নৃশংস আইসিস। আর আইসিসের খোরাসান শাখার বর্বরতার বহু নজির অতীতেও রয়েছে। কিন্তু তালিবানেরা বর্তমানে এই হামলার নিন্দা করলেও আবদুল্লাহ ফারুকীরকে কারা বন্দী করায় রক্তের দাগ লেগেছে তাদের গায়েও।

২০২০ সালে কাবুল গুরুদ্বার হামলার পিছনেও ফারুকীর হাত
এদিকে ২০২০ সালে কাবুল গুরুদ্বার হামলার পিছনেও ছিল ফারুকীর হাত। ওই হামালায় নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছিল ২৭ জন সাধারণ মানুষকে। হামলার কথা নিজ মুখে স্বীকারও করেছিল আইসিসের খোরাসান শাখা প্রধান ফারুকী। এমনকী এই হামলার পিছনে মূল চক্রান্তকারী হিসাবে পাকিস্তানের কথাও প্রকাশ্যেই ভলতে দেখা যায় তাকে। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে।

একনজরে খোসরান উত্থানের ইতিহাস
এদিকে ২০১৪ সালে স্বঘোষিত ইসলামিক স্টেট-এর শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে খোরাসান শাখা সংগঠন। আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানেই মূলত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায় এই গোষ্ঠী। এদিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা নেতারা এককালে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের হয়ে কাজ করত বলেও জানা যায়। তারা আবার সেখান থেকে বেরিয়ে তৈরি করে আইএস-কে।তালিবান এবং আইএস-কে, এই দুই সংগঠনই কট্টর সুন্নি ইসলামপন্থী। কিন্তু দুই দলের মধ্যে বনিবনা নেই একদমই।












Click it and Unblock the Notifications