মস্কো থেকে গোয়াগামী বিমানে বোমা হামলার হুমকি, রুট ঘুরিয়ে দেওয়া উজবেকিস্তানে
রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে গোয়াগামী চাটার্ড ফ্লাইটে বোমা হামলার হুমকির পরই রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হল। শনিবার ভোরে উজবেকিস্তানের দিকে ডাইভার্ট করে দেওয়া হয়েছে বিমানটি।
রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে গোয়াগামী চাটার্ড ফ্লাইটে বোমা হামলার হুমকির পরই রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হল। শনিবার ভোরে উজবেকিস্তানের দিকে ডাইভার্ট করে দেওয়া হয়েছে বিমানটি। ২৪০ জন যাত্রী নিয়ে রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে আসছিল গোয়াগামী ফ্লাইটটি।

শনিবার সাত সকালেই বিমানে বোমা হামলার হুমকিতে ত্রস্ত বিমানযাত্রী থেকে কর্তৃপক্ষ। ফ্লাইটটি সকাল ৪টে ১৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ গোয়ার ডাবোলিম বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল বিমানটির। এক পুলিশ কর্তা জানান, আজুর এয়ার পরিচালিত এজেডভি-২৪৬৩ বিমানটি ভারতীয় আকাশসীমায় প্রবেশ করার আগেই তার রুট বদলে দেওয়া হয়।
রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ একটি মেইল আসে গোয়ার ডাবোলিম বিমানবন্দরের পরিচালকরে কাছে। বিমানে বোমা রাখার কথা উল্লেখ করে এই মেল আসার পরই তৎপরতা শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় মস্কো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে। তারপর বিমানচালককে বার্তা দেওয়া হয় তা অন্য রুটে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার।
আজুর এয়ার চাটার্ড ফ্লাইটটি রাশিয়ার পার্ম আন্তর্জাতিক বিমানববন্দর থেকে গোয়া যাচ্ছিল। এই বিমানে মোট ২৩৮ জন যাত্রী ছিলেন। তার মধ্যে ২ জন শিশু। ৭ জন ক্রু সদস্য ছিলেন বিমানটিতে। দু-সপ্তাহ আগে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয় গুজরাতের জামনগর বিমানবন্দরে। তারপর মস্কো-গোয়া চাটার্ড ফ্লাইট বোমা বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হল।
এদিকে রাশিয়া থেকে ভারতে আসা বিমানে বারবার বোমা বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রথমে গুজরাতের জামনগর। এখন আবার গোয়ার ডাবোলিম বিমানবন্দর। জামনগরে হুমকি বার্তা আসা পর তা গুজরাতে জরুরি অবতরণ করানো হয়েছিল। মাত্র ১০ দিন আগে সেই ঘটনা ঘটে।
উড়োজাহাজটি গুজরাতের জামনগরে ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে অবতরণ করে। ভারতের সন্ত্রাস দমমন বাহিনী উড়োজাহাদে তল্লাশি চালায়। এনএসটি তল্লাশি চালিয়েও সন্দেহজনক কিছু পায়নি। এই বিমানটিও গোয়ার ডাবোলিম বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল। কিন্ত তার আগেই বিমানে বোমা বিস্ফোরের হুমকিতে জরুরি অবতরণ করা হয় জামনগরে। এবার তা উজবেকিস্তানে নামানো হয়। তল্লাশি চলছে ওই চাটার্ড ফ্লাইটে।
মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে দুবার হুমকি বার্তা চলে এল। এর ফলে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। এর আগেও ওই ফ্লাইটে ২৩৬ জন যাত্রী ছিল। ক্রু সদস্য-সহ তাঁদের নিরাপদে বের করে আনা হয়। উজবেকিস্তানেও নামিয়ে এক্ষেত্রেও যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে রেখে তল্লাশি চালানো হয়।












Click it and Unblock the Notifications