আদানি ইস্যুতে ফের মোদীকে টার্গেট George Soros-এর! কিন্তু কে এই ব্যক্তি জানেন?
একবার নয়, একাধিকবার মোদী সরকারের সমালোচনা করেছেন জর্জ। অস্বস্তি বেড়েছে। এই অবস্থায় আদানি ইস্যুতে কার্যত বোমা ফাটালেন। পালটা জবাব দিলেন স্মৃতি ইরানিও। নয়া বিতর্কে এবার মোদী?
George Soros On PM Modi: ফের একবার সংবাদ শিরোনামে মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোস (George Soros)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি। ক্রনি ক্যাপিটালিজমে নাকি উৎসাহ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির সঙ্গে তাঁর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
সম্প্রতি মিউনিখ সুরক্ষা সম্মেলনের আগে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন জর্জ। আর সেখান থেকেই একযোগে মোদী এবং আদানিকে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

প্রধানমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ
মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোস আদানি শেয়ার ইস্যুতে একযোগে আদানি এবং মোদীকে আক্রমণ করেন। বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বিষয়ে চুপ করে আছে। কিন্তু তাঁকে বিদেশী বিনিয়োগকারী এবং সংসদে জবাব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন এই শিল্পপতি। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী মোদী ক্রনি ক্যাপিটালিজমকে উৎসাহ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। নরেন্দ্র মোদী ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র তৈরি করতে চাইছে বলেও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জর্জের। এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের কথাও বলছেন তিনি। তবে ভারতে গণতান্ত্রিক পুনরুজ্জীবনের আশা করছেন বলেও মন্তব্য করেছেন সোরোস।

পালটা তোপ স্মৃতি ইরানির
আর এহেন মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। কড়া ভাষায় এই শিল্পপতিকে জবাব দিয়েছে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। তবে দেশ এবং দেশের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী মোদী দাঁড়িয়ে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী। তবে এহেন মন্তব্য নতুন নয় ওই শিল্পপতির। এর আগে নাগরিকত্ব আইন সহ কাশ্মীর থেকে ৩৭০ তুলে নেওয়া নিয়েও মোদী সরকারের সমালোচনা করেছিলেন জর্জ। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের গর্জে উঠলেন George Soros।

কিন্তু কে এই George Soros
George Soros আমেরিকার অন্যতম বিখ্যাত শিল্পপতি। রাজনৈতিক এবং সামাজিক ভাবে যথেষ্ট দাপট আছে তাঁর। এমনকি George Soros ওপেন সোসাইটি ইউনির্ভাসিটি নেটওয়ার্ক (OSUN)-এর অধ্যক্ষও George Soros। এ ছাড়া তিনি ফরেন রিলেশনস কাউন্সিলের পরিচালনা পর্ষদের প্রাক্তন সদস্য। তিনি এর জন্য এক বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭১০০ কোটি টাকা) বিনিয়োগের কথা বলেছিলেন। নাস্তিক হিসাবে নিজেকে দাবি করেন জর্জ। তবে নিজেকে দার্শনিক বলতেই বেশি ভালোবাসেন। একাধিক বই রয়েছে জর্জের।
জর্জের জন্ম হাঙ্গেরির একটি সমৃদ্ধ ইহুদি পরিবারে। সালটা ছিল ১৯৩০। যদিও পরিবর্তীকালে "শোয়ার্টজ" থেকে "সোরোস" নাম পরিবর্তন করা হয়। হাঙ্গেরি নাৎসিদের দখলে চলে যাওয়ার পর ব্যাপক ভাবে ইহুদি নিধন শুরু হয়। সেই সময়ে কোনও রকমে প্রানে বেঁচেছিলেন এই শিল্পপতি এবং তাঁর পরিবার। তবে সেই ইতিহাস একাধিকবার George Soros-এর কথাতে উঠে এসেছে।












Click it and Unblock the Notifications