মন ভাঙছে জর্জ বুশের, মানতে পারছেন না আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত
মন ভাঙছে জর্জ বুশের, মানতে পারছেন না আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত
সেপ্টেম্বরের শুরুর মধ্যেই আফগানিস্তান থেকে সম্পূর্ণ রূপে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাইডেন সরকার। যার জেরে ৯/১১ ও লাদেন হত্যা পরবর্তী সময়ে মার্কিন সেনা ও তালিবান সংঘর্ষের প্রায় ২০ বছরের রক্তক্ষয়ী ইতিহাসে আপাতত ইতি পড়তে চলেছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। কিন্তু নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সিদ্ধান্তেই মন ভেঙে যাচ্ছে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের।

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে একদমই খুশি নন বুশ। এমনকী এরফলে আফগানিস্তানের আম-আদমির দুর্দশা আরও কয়েকগুণ বাড়বে বলেই মনে করছেন তিনি। সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, “তালিবানদের হাতে সাধারণ মানুষদের এখন থেকে 'কচুাকাটা’ করার জন্যই ফেলে রেখে গেছে নেটো বাহিনী। নিদারুণ ক্ষতির মুখোমুখি হবে আফগান নারী ও শিশুরা। এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মানা যায়না। এর ফল মারাত্মক হতে চলেছে।"
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ছিল তালিবান সরকার। এরই মাঝে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে আত্মঘাতী বিমান হামলা করে তালিবানি জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদা। আর তারই প্রতিশোধ নিতে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে যুদ্ধ শুরু করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। খতম করা হয় হামলার মাস্টারমাইন্ড ওসাবা বিন লাদেন। পরবর্তীতে আফগান মিলিশিয়াদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাবুল থেকে তালিবান সরকারকে বিতাড়িত করে আমেরিকা।
এদিকে সম্পূর্ণ রূপে সেনা প্রত্যাহারের আগে সেদেশে থাকা আফগান দোভাষী ও অনুবাদকদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিতে চাইছে আমেরিকা। সেনা প্রত্যাহারের পর সেদেশে থাকলে তাদের উপর যাতে কোনোভাবেই তালিবানি আক্রমণ নেমে না আসে তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে যাবতীয় প্রক্রিয়া। আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের আগে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা তাদের সমস্ত সেনা প্রত্যাহার করবে বলে জানিয়েছে। এদিকে বাইডেনের সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা শোনা মাত্রই আফগানিস্তানে গোটা কয়েক সপ্তাহে ফের নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে তালিবানি আগ্রাসন।












Click it and Unblock the Notifications