G-7 Summit: 'রাশিয়াকে যুদ্ধ থামাতে বলো' , চিনের উপরে চাপ বাড়াল জি-৭ দেশগুলি
ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধের সময় একমাত্র চিনই রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছিল চিন। চিন রাশিয়াকে সাহায্য করেছিল। জি-৭ সামিটে এবার পাল্টা চিনের উপরে চাপ তৈরি করল একাধিক দেশ। ইউক্রেনে সঙ্গে রাশিয়া যাচ্ছে যুদ্ধ থামায় তার জন্য চিন রাশিয়ার উপর চাপ তৈরি করুক চাইছে জি-৭ দেশগুলি।
সেই তালিকায় যেমন ভারত রয়েছে। তেমন রয়েছে আমেরিকা-ব্রিটেনও। জি-৭ সামিটে যোগদানকারী দেশগুলি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন ইউক্রেনের সঙ্গে বিনা শর্তে যুদ্ধ থামিয়ে অবিলম্বে সব বাহিনী প্রত্যাহার করুক রাশিয়া। তার জন্য চিনকেই চাপ তৈরি করতে হবে রাশিয়ার উপরে।

ইউক্রেনে শান্তি ফেরাতে চায় সব দেশ। এমনকী রাষ্ট্রপুঞ্জও এই নিয়ে চিনকে বার্তা দিয়েছে। কোনও ভাবেই হিংসার পথ নেওয়া উচিত হয়নি রাশিয়ার বলেও রব উঠেছে। সেই সঙ্গে চিন যে রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাশিয়াকে নানা ভাবে অস্থনৈতিকভাবে সাহায্য করেছে বেজিং। তাতে আপত্তি নেই। কারণ যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক অবরোধের পথে হেঁটেছিল একাধিক দেশ।

তবে রাশিয়া যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে ইউক্রেনে একের পর এক হামলা চালিয়ে। সেটা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না যুদ্ধ থামাতে এবার রাশিয়াকে বোঝানোর গুরুদায়িত্ব চিনকেই নিতে হবে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে পূর্ব এবং দক্ষিণ চিন সাগরে যে চিনা নৌসেনা আস্ফালন শুরু করেছে তারও তীব্র প্রতিক্রিয়া গিয়েছে জি-৭ দেশগুলি।
তাইওয়ান সমস্যা নিয়ে চিনের আলোচনায় বসা উচিত বলে মনে করেন তাঁরা। তাইওয়ানকে নিজের দেশের অংশ বলে দাবি করে েবজিং। ১৯৪৯ সাল থেকে চিনের সঙ্গে এই নিয়ে তাইওয়ানের বিবাদ চলে আসছে। এখনও সেই জটিলতা মেটেনি। তবে আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান সূত্র বের করা উচিত বলে মনে করছেন তাঁরা।
একই সঙ্গে িচনের একাধিক প্রদেশে যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে জি-৭ সামিটে। তিব্বত, হংকং, জিংঝ্যাং প্রদে সে যেভাবে চিনের কমিউনিস্ট সরকার সাধারণ মানুষের উপরে নির্যাতন চালাচ্ছে তা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।












Click it and Unblock the Notifications