গত এক মাসে চিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬০ হাজার মানুষের! চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে
চিনে করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে নতুন করে আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে! বিশ্লেষকদের মতে, কমিউনিস্ট এই দেশটিতে পরিস্থিতি নাকি আয়ত্তের বাইরে চলে গেছে। সাধারণ মানুষ তো বটে, চিনে হাজার হাজার চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীও করোনার নয়া
চিনে করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে নতুন করে আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে! বিশ্লেষকদের মতে, কমিউনিস্ট এই দেশটিতে পরিস্থিতি নাকি আয়ত্তের বাইরে চলে গেছে। সাধারণ মানুষ তো বটে, চিনে হাজার হাজার চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীও করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়। আর এই অবস্থায় করোনা সংক্রান্ত তথ্য ফের একবার চাপতে শুরু করে বেজিং।
এই বিষয়ে অভিযোগ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। যদিও প্রবল চাপের মধ্যে সম্প্রতি নতুন করে চিন করোনা সংক্রান্ত ডেটা দিতে শুরু করেছে।

শুধু হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছে...
শেষ একমাসের যে তথ্য চিন শেয়ার করেছে তা চমকে দেওয়ার মতো। শনিবার বেজিং করোনায় মৃত্যুর একটি তথ্য সামনে নিয়ে এসেছে। আর তাতে দেখা যাচ্ছে, গত ৩০ দিনে সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ৫৯ হাজার ৯৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সবারই মৃত্যু হয়েছে করোনা ভাইরাসে। এমনটাই রিপোর্টে জানানো হয়েছে। আধিকারিকরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, চিনের স্বাস্থ্য বিভাগ জানাচ্ছে, গত ৮ ডিসেম্বর থেকে ১২ জানুয়ারির মধ্যে হাসপাতালে মৃতুর সংখ্যা ৫৯ হাজার ৯৩৮ জন।

কী বলছে চিনের স্বাস্থ্য বিভাগ?
চিনের স্বাস্থ্য বিভাগেরই এক আধিকারিকের কথা মতো, মেডিকেল প্রতিষ্ঠানগুলিতে COVID-19 সংক্রমণে তৈরি হওয়া শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে ৫,৫০৩ জন এবং কোভিডের সঙ্গে ক্যান্সার বা হৃদরোগের কারণে ৫৪ হাজার ৪৩৫ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক। সাউথ চায়না মনিটারিং পোস্ট জানাচ্ছে, যাদের মৃত্যু হয়েছে একটা বড় অংশেরই গড় আয়ু ছিল গড় বয়স ছিল 80.3। এমনকি মৃত্যু হয়েছে এমন ৯০ শতাংশের বয়স ৬৫ কিংবা তার বেশি বলেও প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, চিনের মাটিতে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ওমিক্রনের নয়া ভ্যারিয়েন্ট বিএফ-৭। শুধু তাই নয়, ভ্যাকসিনেশনের একটা বড় অভাব চিনে নতুন করে করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্যে দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

গোটা বিশ্বই নতুন করে সতর্ক হয়ে গিয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, চিনের মাটিতে করোনার বাড়বাড়ন্ত সামনে আসার পরেই গোটা বিশ্বই নতুন করে সতর্ক হয়ে গিয়েছে। একাধিক দেশ বিদেশী যাত্রীদের ক্ষেত্রে নতুন করে একাধিক বিধি নিষেধ জারি করে। বিশেষ করে ভারত একাধিক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়। বিশেষ করে ভারতে আসার ক্ষেত্রে বিদেশি পর্যটকদের আরটিপিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও একাধিক বিধি নিষেধ জারি করেছে। তবে এর মধ্যেই চিনের তরফে যে রিপোর্ট সামনে নিয়ে আসা হয়েছে যা রীতিমত ভয় ধরাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications