১ বছরের কারাদণ্ড প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে, বাড়ি থেকেই জেল খাটবেন সারকোজি
১ বছরের কারাদণ্ড প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে, বাড়ি থেকেই জেল খাটবেন সারকোজি
বেআইনিভাবে প্রচারের অভিযোগ প্রমাণিত হল। ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে ১ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনাল আদালত। ২০১২সালে পরাজিত হয়েছিলেন সারকোজি। সেটা মানতে না পেরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। সেসময়ই বেআইনি ভাবে প্রচার চালানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন তিনি।আদালত তাঁকে ১ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনানোর পাশাপাশি জানিয়েছেন এই ১ বছরের জেল তিনি বাড়িতেই খাটতে পারবেন। তবে বাড়িতে থেকে জেল খাটার জন্য তাঁকে সবসময় ইলেকট্রনিক ব্রেসলেট পড়ে থাকতে হবে। জানা গিয়েছে রিইলেকশন বিেডর জন্য ২২.৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করার আইন বৈধ। কিন্তু সেটা তিনি করেননি। উল্টে তারবেশি টাকা খরচ করেছিলেন সারকোজি। সেকথা তিনি জানতেন তিনি। বিরোধী পক্ষের আইনজীবী সারকোজির ৫ মাসের পেনসন সাসপেন্ড করার কথা বলেছিলেন। সেই সঙ্গে ৩৭৫০ ইউরো জরিমানা করার কথাও বলা হয়েছিল।
মার্চ মাসের ১ তারিখেই সারকোজিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও তাঁকে ১ বছরের পেনসন দেওয়া হয়েছে। এবং ২ বছরের পেনসন সাসপেন্ড করা হয়েছে। তবে মুক্ত হওযার পর সেই পেনসনের জন্য আবেদন জানাতে পারেন তিনি। নির্বাচনে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। ফ্রান্সের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রচারে যে পরিমান অর্থ খরচ করার কথা তার দ্বিগুণ অর্থ তিনি খরচ করেছিলেন। জেরার সময় সারকোজি জানিয়েছিলেন, অতিরিক্ত পরিমানের টাকা তিনি প্রচারের কাজে খরচ করেননি। কাজেই একারণে তাঁকে এই বিষয়ে দায়ী করা যায় না। েয টাকা খরচ করা হয়েছিল প্রচারের কাজে তা অন্যরা খরচ করেছিলেন তিনি খরচ করেননি।
২০১৭ সালে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন সারকোজি। মুখে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা বললেও অন্তরালে কিন্তু রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সূত্রের খবর সারকোিজ নাকি পরের বছর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভাল মত প্রভাব খাটাতে শুরু করেছেন। কনজারভেটিভ প্রার্থী নির্বাচনে বড় ভূমিকা নিয়েছেন সারকোজি।












Click it and Unblock the Notifications