কাশ্মীরের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ফ্রান্স, মোদীকে ফোনে বলেছিলেন ম্যাক্রোঁ
কাশ্মীরের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ফ্রান্স, মোদীকে ফোনে বলেছিলেন ম্যাক্রোঁ
দুইদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরে সঙ্গে ফোনালাপ হয় ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর। বিশেষজ্ঞরা সেই আলাপের বিষয়বস্তুর বিষয়ে না জানতে পারলেও তারা অনুমান লাগান যে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পারস্পরিক বোঝাপড়ার সাথে সাথেই আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মত বিনিময় করেন বলেও অনুমান করা হয়। এবার সেই বৈঠকের বিষয়বস্তুর বিষয়ে মুখ খুলল ফ্রান্স।

ফ্রান্সের বক্তব্য
ফ্রান্সের তরফে আজ জানানো হয় যে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা হয়। এবং ফ্রান্সের পক্ষে দাবি করা হয় যে তারা কাশ্মীরের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। পাশাপাশি এই বিবৃতি পেশ করা এলিজা প্যালেস আরও দানান যে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা অস্থির পরিস্থিতি শান্ত করার ক্ষেত্রে একে অপরকে সাহায্য করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের বিবৃতি
এদিকে এই ফোনালাপের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা বিবৃতিতে কাশ্মীর প্রসঙ্গের কোনও উল্লেখ ছিল না। সূত্রের খবর, গত বছর অগাস্টের বৈঠকের পর মোদী ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। একইসাথে বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের দৃঢ়তা নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করতে দেখা যায় মোদীকে। এই প্রসঙ্গে পিএমও কর্তৃক জারি করে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'দুই রাষ্ট্রনেতাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির ক্ষেত্রে পারস্পরিক আগ্রহের বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়েও বিশদে মত বিনিময় করেছেন।'

পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলাপ
ভারতের তরফে আরও জানানো হয়েছিল যে দু'দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা,পারমাণবিক শক্তি এবং সামুদ্রিক সুরক্ষা সহ চূড়ান্ত কৌশলগত সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। মার্কিন সেনার হাতে শীর্ষ ইরানি কমান্ডার জেনারেল কাসিম সুলাইমানির হত্যার পর আমেরিকা-ইরান সংঘাত চরমে ওঠে। ভারত ও ফ্রান্সের দুই রাষ্ট্র নেতার এই কথোপকথনে সেই বিষয়টি উঠে আসে বলে জানা যায়।

কাশ্মীরে ১৫টি দেশের প্রতিনিধি
এদিকে আমেরিকা সহ ১৫টি দেশের প্রতিনিধি বৃহস্পতিবারই দুইদিনের সফরে কাশ্মীরে যান। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রভীশ কুমার জানান, আমেরিকার পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, ফিজি, মলদ্বীপ, নরওয়ে, ফিলিপিনস, মরোক্কো, আর্জেন্টিনা, পেরু, নাইজার, নাইজেরিয়া, গুয়ানা এবং তোগো থেকে প্রতিনিধিরা যান। উপত্যকা কতটা স্বাভাবিক হয়েছে তা দেখতেই সেখানে গিয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications