দামি বিদেশী উপহার বিক্রি করে লক্ষাধিক পাকিস্তানি মুদ্রা সংগ্রহ করেছেন, স্বীকার ইমরান খানের

দামি বিদেশী উপহার বিক্রি করে লক্ষাধিক পাকিস্তানি মুদ্রা সংগ্রহ করেছেন, স্বীকার ইমরান খানের

পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফের প্রধান ইমরান খান জানিয়েছেন, তিনি মোট চারটি বিদেশি উপহার বিক্রি করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি উপহারগুলো পেয়েছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, একটি মামলায় ইমরান খান নির্বাচন কমিশনকে এই প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। উপহার নিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, ইমরান খান তা অস্বীকার করেছেন।

বিদেশি উপহার বিক্রি

বিদেশি উপহার বিক্রি

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তোশাখানা মামলায় ইমরান খান নির্বাচন কমিশনকে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পাওয়া চারটি বিদেশি উপহার বিক্রির কথা স্বীকার করেছিলেন। যার বিনিময়ে তিনি ৫৮ মিলিয়ন পাকিস্তানি মুদ্রা পেয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রায় ৩১টি উপহার সংগ্রহ করেছিলেন। তার জন্য সরকারি কোষাগার থেকে ২১. ৫৬ মিলিয়ন পাকিস্তানি মুদ্রা ব্যয় করেছিলেন। জানা গিয়েছে, বিক্রি করা চারটি উপহারের মধ্যে একটিতে রয়েছে একটি গ্রাফ ঘড়ি, এক জোড়া কাফ লিঙ্ক, একটি দামি পেন ও একটি আংটি। বাকি তিনটি উপহারের মধ্যে রয়েছে চারটি রোলেক্স ঘড়ি।

অভিযোগ অস্বীকার ইমরান খানের

অভিযোগ অস্বীকার ইমরান খানের

জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৯ সালের জুন মাস পর্যন্ত ইমরান খান মোট ৩১টি উপহার পেয়েছেন। তার মধ্যে মাত্র চারটির জন্য অর্থ প্রদান করেছেন। পাকিস্তানি নিয়ম অনুসারে, কোনও উপহারের মূল্য ৩০,০০০ পাকিস্তানি মুদ্রা বা তার বেশি হলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অর্থ প্রদান করতে হয়। কিন্তু এর থেকে নিচু মূল্যের যে কোনও উপহার নিজের কাছে রাখতে কোনও অর্থমূল্য দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। ইমরান খান জানিয়েছেন, ৩০ হাজারের বেশি মূল্যের প্রতিটি উপহারের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। ২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত তিনি মোট নয়টি উপহার পেয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনটির জন্য ১.৭১ মিলিয়ন পাকিস্তানি মুদ্রা সরকারি কোষাগারে তিনি জমা দিয়েছেন।

অজ্ঞাত ব্যক্তিকে ইমরানের উপহার

অজ্ঞাত ব্যক্তিকে ইমরানের উপহার

জানা গিয়েছে, অজ্ঞাত ব্যক্তিকে তিনি চারটি উপহার দিয়েছে। তারমধ্যে একটিতে রয়েছে, সোনা ও হীরের লকেট, এক জোড়া কানের দুল (সোনা ও হীরের), একটি হীরের আংটি। এই গয়না কেনার জন্য তিনি সরকারি কোষাগারে ০.৫৪৪ মিলিয়ন পাকিস্তানি মুদ্রা জমা করেছিলেন। এছাড়াও তিনি ২০২২ সালে সরকার পতনের আগে অবধি একাধিক উপহার পেয়েছেন। তিনি নিয়ম অনুসারে ৩০, ০০০ উপরের অর্থমূল্যের উপহারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করেছিলেন।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ইমরান খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানে ইমরান সরকারের পতন হয়। সেই সময় ইমরান খানের বিরুদ্ধে এই উপহার সম্পর্কিক একাধিক অভিযোগ করা হয়। জানানো হয়েছে, ইমরান খান কী উপহার প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পেয়েছিলেন, তার স্পষ্ট কোনও বিবরণ দেওয়া নেই। এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়, তোশাখানা থেকে ইমরান খান উপহার নিজের বাসভবনে নিয়ে গিয়েছেন। পাকিস্তানে নিয়ম অনুসারে এই উপহার তোশাখানায় রাখা থাকে। কিংবা নিলামে তোলা হয়। যেখান থেকে সরকারি কোষাগারের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হয়। এরপরেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পিটিআই প্রধান ইমরান খানকে একটি প্রতিবেদনে সমস্ত উপহার ও তাঁর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রকাশ করার আবেদন করা হয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+