প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই নাম না করে পাকিস্তানকে ঠুকলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর
বিদেশমন্ত্রকের যে ভাবমূর্তি সুষমা স্বরাজ তৈরি করে দিয়ে গিয়েছেন সেটা অক্ষুন্ন রাখাই এখন জয়শঙ্করের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
বিদেশমন্ত্রকের যে ভাবমূর্তি সুষমা স্বরাজ তৈরি করে দিয়ে গিয়েছেন সেটা অক্ষুন্ন রাখাই এখন জয়শঙ্করের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই বিদেশমন্ত্রী হিসেবে প্রথম অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েই সুষমা স্বরাজের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে তিনি বলেছেন, বিদেশমন্ত্রক সেই ধারা বজায় রাখবে। একই সঙ্গে পাকিস্তান সম্পর্কে দেশের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। জয়শঙ্কর পাকিস্তানের নাম না করেই বলেছেন 'সার্ক' সমস্যা আছে। সেটা সকলেরই জানা।

সেকারণেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তাই বিমস্টেক-এর দেশ গুলিকেই মোদীর শপথে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পাকিস্তান এই বিমস্টেক-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
এশিয়ার সর্ববৃহৎ অর্থনীতি ভারতের। তাই ভারত সবসময় প্রতিবেশী দেশগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী। সেই লক্ষ্যেই কাজ করতে চায়। আর এই কথা প্রসঙ্গেই মোদীর শাসনকালের প্রশংসা করে বিদেশমন্ত্রী বলেছেন, গোটা বিশ্ব জানে গত পাঁচ বছরে ভারতের অর্থনৈতিক বিকাশ কতটা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছর সেই বিকাশ আরও বাড়বে বলে আশাবাদী তিনি।
আর এই অর্থনৈতিক বিকাশ অনেকটাই নির্ভরকরে দেশের বিদেশনীতির উপর। গত পাঁচ বছরে ভারতের বিদেশনীতি অভূতপূর্ব পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করেন তিনি। সেই পরিবর্তন দেশকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এবং সেই লক্ষ্যেই তিনি এবং তাঁর মন্ত্রক কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ দমনে আপোসহীন নীতিতে বিশ্বাসী ভারত। সেকথাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। কারণ মোদীর এই বিপুল জয়ের অন্যতম উৎস্য কিন্তু ছিল জাতিয়তাবাদী। পুলওয়ামা হামলা আর বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকে হালেই ভোট বৈতরণী পাড় করেছেন মোদী।












Click it and Unblock the Notifications