ককপিটের রহস্য উন্মোচনে বিদেশি সহায়তা, অজিতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্তে আমেরিকার বিশেষজ্ঞদের দ্বারস্থ ভারত
অজিত পওয়ারের মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে নতুন মোড়। ককপিটের শেষ মুহূর্তের কথোপকথন উদ্ধার করতে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিচ্ছে ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্তকারী সংস্থা। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের সাম্প্রতিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশ্লেষণের জন্য সংশ্লিষ্ট নির্মাতা দেশের সরকার অনুমোদিত প্রতিনিধিদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
তদন্ত চালাচ্ছে এয়ারক্র্যাফট এক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি)। মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে দুটি ফ্লাইট রেকর্ডার ছিল একটি ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও অন্যটি ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। ভয়াবহ আগুন ও অতিরিক্ত তাপের কারণে দু'টি যন্ত্রই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এল ৩ কমিউনিকেশনস নির্মিত ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার থেকে ইতিমধ্যেই তথ্য ডাউনলোড করা সম্ভব হয়েছে এএআইবি এর পরীক্ষাগারে।

হানিওয়েল নির্মিত ককপিট ভয়েস রেকর্ডার থেকে তথ্য উদ্ধার প্রক্রিয়া এখনও জারি রয়েছে। সংস্থার তরফে নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ না করা হলেও জানা যাচ্ছে, যেহেতু রেকর্ডারটি আমেরিকায় তৈরি, তাই সেখানকার বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। ঠিক এমনই ইঙ্গিত মিলেছে।
দুর্ঘটনাটি ঘটে গত ২৮ জানুয়ারি। Learjet 45 বিমানে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন অজিত। অবতরণের ঠিক আগে বিমানটি ভেঙে পড়ে। বিমানে অজিত সহ মোট পাঁচজন ছিলেন ও দুর্ঘটনায় সকলের মৃত্যু হয়। ঠিক কী কারণে এই বিপর্যয়, তা জানতে গভীর তদন্তে নেমেছে কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনার পরের দিনই উদ্ধার হয় বিমানের তথাকথিত ব্ল্যাক বক্স। যদিও নাম ব্ল্যাক বক্স, বাস্তবে যন্ত্রটির রং উজ্জ্বল কমলা, যাতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। এই ব্ল্যাক বক্সেই থাকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। বিমানের গতিবিধি, প্রযুক্তিগত তথ্য ও পাইলটদের শেষ কথোপকথন সবই লুকিয়ে থাকে এই যন্ত্রে।
এখন সবার নজর ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের বিশ্লেষণের দিকে। কারণ, শেষ মুহূর্তের সেই কথোপকথনই হয়তো জানিয়ে দেবে, ঠিক কী কারণে আকাশযানটি মাটিতে নামার আগেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ল।












Click it and Unblock the Notifications