আকাশে উড়ছে গাড়ি, স্বপ্ন বাস্তব হতে আর কয়েকটা দিন! শেষের পথে বিশ্বের প্রথম রানওয়ে ছাড়া এয়ারপোর্ট তৈরির কাজ
গতি বাড়ছে কিন্তু ব্যাপক গাড়ির ভিড়ে যানজটে আটকে শহর! বিশ্বের প্রত্যেক জনবহুল দেশের কাছে কার্যত যানজট একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কোথাও নির্দিষ্ট সময়ে রাস্তায় বের হলেও যানজটের কারণে দেরি হয়ে যায়। আর এই যানজট থেকে মুক্তি দিতেই একাধি
গতি বাড়ছে কিন্তু ব্যাপক গাড়ির ভিড়ে যানজটে আটকে শহর! বিশ্বের প্রত্যেক জনবহুল দেশের কাছে কার্যত যানজট একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কোথাও নির্দিষ্ট সময়ে রাস্তায় বের হলেও যানজটের কারণে দেরি হয়ে যায়। আর এই যানজট থেকে মুক্তি দিতেই একাধিক গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থা ফ্লাইং কার নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বিএমডাবলু থেকে শুরু করে একাধিক তাবড় তাবড় গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা ফ্লাইং কার নিয়ে কাজ চালাচ্ছেন। তবে এখনও সেভাবে সাফল্য আসেনি। তবে পরীক্ষা চলছে। তবে ফ্লাইং কার নিয়ে আকাশে ওড়ার জন্যে প্রস্তুত হতে বলেছেন গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা!

আকাশে উড়বে গাড়ি!
আকাশে গাড়ি উড়ছে! একটা সময় এটা ছিল কল্পনা। বইয়েরর পাতাতেই পড়তে ভালো লাগত। কিন্তু কল্পনা যে বাস্তব হতে পারে তা নিয়ে গত কয়েকবছর ধরে কাজ চলছে। তবে এবার সাফল্যের মুখ খুব শিঘ্র দেশের মানুষ দেখতে চলেছে বলেই জানাচ্ছেন হুন্ডাইয়ের ইউরোপিয়ান অপারেশনের সিইও মাইকেল কোলা। তাঁর মতে, বিশ্বের প্রত্যেক শহরের মাথায় উড়ছে গাড়ি। আর তাতে বসে যাত্রীরা। সেদিন দেখতে আর বেশি সময় বাকি নেই। মাইকেলের দাবি, এই শতাব্দীর শেষেই হয়তো প্রত্যেক দেশের কাছেই উড়ন্ত গাড়ি চলে আসবে।

উড়ন্ত গাড়ি নিয়ে কাজ করছে হুন্ডাই!
দীর্ঘদিন ধরে উড়ন্ত গাড়ি নিয়ে কাজ করছে হুন্ডাই। শহরের মধ্যে ছোট দূরত্বের মধ্যে যদি ফ্লাইং কার ওড়ানো যায় তা একটা যুগান্তকারী হবে। আর সেই লক্ষ্যে কাজ করছে কোরিয়ার অন্যতম বৃহৎ গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থা। ব্যাটারিচালিত উড়ন্ত ট্যাক্সি বাজারে নিয়ে আসতে চায় এই সংস্থা। যানজট এড়িয়ে এই উড়ন্ত ট্যাক্সি পাঁচ থেকে ছয়জন যাত্রীকে নিয়ে এয়ারপোর্ট পৌঁছে দেওয়ার কাজ করবে। মাইকেল কোলা বলছেন, উড়ন্ত গাড়ি শহরের যানজট কমানোর কাজ করবে। শুধু তাই নয়, যেহেতু এটি ব্যাটারিতে চলে সেহেতু বাতাসে কার্বনের মাত্রাও কমবে বলে মত কোলার।

২০২৫ এর মধ্যে উড়ন্ত ট্যাক্সি!
উড়ন্ত ট্যাক্সি নিয়ে চলছে কাজ। হুন্ডাই ইতিমধ্যে এই উড়ন্ত ট্যাক্সি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। বিশেষ করে 'আরবান এয়ার মোবিলিটি ডিভিশনে' ফ্লাইং কার চালানো নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ১.৫ বিলিইয়ন ডলার ইতিমধ্যে বিনিয়োগ করেছে হুন্ডাই। প্রাক্তন নাসা ইঞ্জিনিয়র জাইওণ শিনের নেতৃত্বে চলছে কাজ। ২০২০ সালে হুন্ডাই তাঁদের উড়ন্ত গাড়ির কনসেপ্ট সামনে নিয়ে আসে। লাশ ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে তা নিয়ে আসা হয়।

রানওয়ে ছাড়াই তৈরি হচ্ছে এয়ারপোর্ট!
শুধু উড়ন্ত গাড়ি তৈরি করলেই তো হবে না। পাশাপাশি অনেক কিছু প্রয়োজন। আর সে লক্ষ্যে ব্রিটেনে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম রানওয়ে ছাড়া এয়ারপোর্ট। যেটি সম্পূর্ণভাবে তৈরি করা হচ্ছে ব্যাটারি চালিত এয়ারক্রাফট গুলি যাতে খুব সহজে উড়তে এবং নামতে পারে। খুব শিঘ্র এই এয়ারপোর্ট খুলে দেওয়া হবে। যেখানে উড়ন্ত ট্যাক্সিগুলি রাখা হবে।












Click it and Unblock the Notifications