ফ্লোরিডায় বাইডেনের হার পাল্টে দিল চিত্রটা, সুপার ওভারে গড়াল মার্কিন নির্বাচনের লড়াই
বাইডেনকে নির্বাচনী ময়দানে শুধু যে কড়া টক্কর দিলেন তা নয়, রীতিমতো নাকানিচোবানি খাইয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে হারিয়ে সবাইকে অবাক করে দেন ট্রাম্প। এর মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য দুই রাজ্য হল টেক্সাস এবং ফ্লোরিডা। তার মধ্যেও ফ্লোরিডাকে নিজেদের খাতাতেই ধরে রেখেছিলেন বাইডেন। তবে সেই রাজ্য হাতছাড়া হতেই মাথায় হাত পড়ে বাইডেনের।

বিশেষজ্ঞরা ভেবেছিলেন যে ফ্লোরিডা-টেক্সাসে বাইডেন জিতবেন
মূলত ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কারণেই বহু বিশেষজ্ঞ ভেবেছিলেন যে ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসে বাইডেন জিততে পারেন। খাতায় কলমে এই দুটি রাজ্যের একটিতেও জিততে পারলে হোয়াইট হাউজে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত করে ফেলতেন। তবে বাইডেনের সেই আশায় জল ঢেলে ফ্লোরিডা নিজের পকেটে ভরেন ট্রাম্প।

ল্যাতিনো ভোটারদের মন জয় করলেন ট্রাম্প
ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসে প্রচুর ল্যাতিনো এবং মেক্সিকো ও কিউবা থেকে আসা শরণার্থীর বাস। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি সেই ভোটারদের ডেমোক্র্যাটের পক্ষে ভোট দিতে বাধ্য করবে বলে মনে করা হয়েছিল। তবে দেখা গেল ফ্লোরিডায় হল ঠিক উল্টো। গত বারের থেকেও বেশি ল্যাতিনো ভোট পেয়ে এবারে ফঅলোরিডা পকেটস্থ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গণনা শুরু হতেই পাল্টে যায় হিসেব
বর্তমানে ২৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ পেয়ে ট্রাম্পের থেকে এগিয়ে আছেন বাইডেন। মোট ৫৩৮টি কলেজের মধ্যে তাঁকে জিততে হবে ২৭০টি। সেই ২৭০-এর গণ্ডির একদম কাছে বাইডেন চলে যেতে পারতেন যদি তিনি ফ্লোরিডা রাজ্য জিততে পারতেন। এবং পূর্বাভাস অনুযায়ী এই রাজ্যটি বাইডেন নিজের খাতাতেই নথিভুক্ত করে রেখেছিলেন। তবে গণনা শুরু হতেই পাল্টে যায় পুরো হিসেব।

বাইডেনের সমাজতান্ত্রিক ট্যাগ
আসলে বাইডেনের সমাজতান্ত্রিক ট্যাগের কারণেই ল্যাতিনোরা ট্রাম্পকে বেছে নিলেন। কিউবা বা মেক্সিকো থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থী ল্যাতিনোরা যে আমেরিকাতেও সমাজতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন কোনও নেতা চান না, তা এই ফলাফল থেকে স্পষ্ট। এর আগের নির্বাচনে হিলারি ক্লিন্টন এই রাজ্যে হারলেও তাঁর সমর্থনের গ্রাফ বাইডেনের থেকে অনেকটাই উঁচুতে ছিল।












Click it and Unblock the Notifications