তালিবানদের প্রশ্রয় দেওয়ার ফল ভুগল পাকিস্তান! সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলিতে খতম একাধিক পাকসেনা
আফগানিস্তানে তালিবান দখলে নেওয়ার পর এবার পাক সীমান্তে চলল গোলাগুলি। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে গুলিতে মৃত্যু হয়েছে দুই পাকিস্তান সেনা জওয়ানের। জবাবে অবশ্য পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও পাল্টা গুলি চালিয়েছে বলে সূত্
আফগানিস্তানে তালিবান দখলে নেওয়ার পর এবার পাক সীমান্তে চলল গোলাগুলি। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে গুলিতে মৃত্যু হয়েছে দুই পাকিস্তান সেনা জওয়ানের। জবাবে অবশ্য পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও পাল্টা গুলি চালিয়েছে বলে সূত্রের খবর।

তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর এই প্রথমবার পাকিস্তানের সীমান্তে এই ধরনের গোলাগুলি চলল। তবে যে অঞ্চলে এই গোলাগুলি চলছে সেটি আদিবাসী অধ্যুষিত হওয়ায় সেখানে মানবাধিকার সংগঠন বা সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নেই বললেই চলে।
তাই কোন পক্ষ কেন গুলি চালাল সেই বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি পাকিস্তানে সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে ওই ঘটনায় পাকসেনা পাল্টা যে গুলি চালিয়েছে তাতে আফগানিস্তানের দুই থেকে তিনজন হামলাকারীর মৃত্যু হয়েছে।
পাকিস্তানের বাজাওর জেলায় যে এই ঘটনা ঘটেছে দিন ১৫ আগে তালিবান কাবুলের মসনদে পৌঁছে যাওয়ার পর প্রথমবার এই ধরনের ঘটনা ঘটল। এই বাজাওর হলো এমন একটি জেলা যেখানে দীর্ঘদিন ধরে আদিবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলে পাকিস্তানের তালিবান সংগঠনগুলি আশ্রয় নেয় বলেও জানা যায়। এই সংগঠনটি টি টি পি নামে পরিচিত।
রবিবারের এই গোলাগুলির ঘটনায় হামলাকারী কারা তাদের এখনো সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারেনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। তবে এই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসবাদি সংগঠনের নেতারা রয়েছে এবং তালিবান কাবুল দখল করার পরও তারা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে বলে জানা যায়।
পাকসেনারা তরফে দেওয়া একটি বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে সেনাবাহিনীর পাল্টা গুলিতে দুই থেকে তিনজন সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু হয়েছে এবং তিন থেকে চারজন আহত হয়েছে। ঘটনার পর আফগানিস্তানের মাটিতে সন্ত্রাসবাদি কার্যকলাপ এর বিরোধিতা করেছে পাক সেনা।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর তরফের স্বাগত জানানো হয়েছে যে আফগানিস্তানের মাটি থেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কোন কার্যক্রম বরদাস্ত করা হবে না। পাকিস্তানের মন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদ বলেছেন পাকিস্তানের ধারণা ছিল যে আফগানিস্তান অন্তত তাদের মাটি থেকে পাক বিরোধী সংগঠনের কার্যকলাপ হতে দেবে না।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল ইফতিকার বলেন, আফগানিস্তানে পরিস্থিতি যেভাবে পাল্টাচ্ছে তাদের পাকিস্তানের উপরে যে আঁচ আসবে তা আমরা আশা করেছিলাম। আর সেই মোতাবেক সবরকম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল বলে পাকিস্তান সেনার তরফে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে এই ঘটনার পর পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ব্যাপক মাত্রায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে সীমান্ত এলাকাতে। নতুন করে হামলার আশঙ্কাতে সতর্ক করা হয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে।












Click it and Unblock the Notifications