ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ ভয় ধরাচ্ছে? বিপর্যয়ের সতর্কতায় ভারত অনেকটাই পিছিয়ে
প্রবল তাপপ্রবাহ। অন্য দিকে বর্ষায় ভারী বন্যার ভ্রুকুটি। সাগরে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়া। কতটা বিপদের মধ্যে আছে ভারত? জলবায়ুগত বদলের কারণে কতটা ভারতে সমস্যা দেখা দেবে?
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ( ডব্লুএমও) মঙ্গলবার একটি তথ্য দিয়েছে। তাতে কপালে উদ্বেগের ভাঁজ পড়তেই পারে। ২০২৩ সালের আবহাওয়া, জলবায়ু এবং জল-সম্পর্কিত বিপদের কারণ নিয়ে গবেষণা করা হয়। তথ্য মতে এশিয়া মহাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দুর্যোগ-বিধ্বস্ত অঞ্চল হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।

আরও বড় আশঙ্কা রয়েছে ভারতবর্ষের। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বড়সড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে৷ ২১ টি দেশের তালিকার মধ্যে ভারত রয়েছে ১৪ নম্বর স্থানে ৷ ঝুঁকি জ্ঞান, পর্যবেক্ষণ এবং পূর্বাভাস, সতর্কতা, প্রচার এবং প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রস্তুতির ভিত্তিতে এই গণনা করা হয়েছিল।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানাচ্ছে, চরম তাপ, প্রবল বন্যা, একটি হিমবাহী হ্রদ বিস্ফোরণ - বন্যায় ভারতের বিভিন্ন অংশ বিধ্বস্ত হয়েছে। গত বছর ভারতের বিধ্বস্ত অংশগুলিতে আড়াই হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ভারত পর্যবেক্ষণ, পূর্বাভাস ও প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রস্তুতিতে যথেষ্ট উন্নতি করেছে। কিন্তু ঝুঁকি জ্ঞান, সতর্কতা এবং প্রচারের ক্ষেত্রে রিপোর্ট একদমই আশাপ্রদ নয়।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগের ডক্টর শ্রীজিত ওপি জানাচ্ছেন, ভারত একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। বিভিন্ন ভাষার একটি শক্তিশালী প্রচার ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। ২০২৩ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা, ভূমিধস, বজ্রপাত, তাপপ্রবাহ, তুষারপাত, শৈত্যপ্রবাহ এবং শিলাবৃষ্টির মতো ঘটনা দেখা গিয়েছে। প্রায় আড়াই হাজার মানুষ মারা গিয়েছে। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাজ পড়ে মারা গিয়েছেন সব থেকে বেশি মানুষ। সেই মৃত্যুর সংখ্যা ১৩৩০ জন।
যে সব তথ্য সামনে আসছে, তা আরও যেন ভয় বাড়াচ্ছে। ভারতের ভূপৃষ্ঠ ও সংলগ্ন বায়ুর তাপ ক্রমশ বেড়েছে। ২০১৬ সালের পর ২০২৩ সাল রেকর্ডে দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর৷ গত বছর ছটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছিল উত্তর ভারত মহাসাগরে। এর মধ্যে তিনটি ছিল অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়।
'মোচা', 'বিপর্জয়' ও 'তেজ' এই তিনটি ছিল
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়। 'মিচাং' ও 'মিধিলি' এই দুটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়। অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হল 'হামুন'। বঙ্গোপসাগরে মোচা, হামুন, মিধিলি এবং মিচাং এই চারটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছিল।
বিপর্জয় ও তেজ নামে দুটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় আরব সাগরে।
গত বছর দক্ষিণ-পশ্চিম বর্ষা, উত্তর-পূর্ব বর্ষা মরসুমে উভয় ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত দেখা গিয়েছে। উত্তর সিকিমের দক্ষিণ লোনাকে হ্রদ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। ফলে তিস্তা নদীর বিধ্বংসী রূপ দেখা যায়। প্রচুর মানুষ মারা গিয়েছিল ওই ঘটনায়।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications