সেনা আইনের মুখোমুখি না দেশত্যাগ? ইমরান খানকে প্রস্তাব পাকিস্তান সেনাবাহিনীর
নিজের দেশে তীব্র চাপে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। একদিকে যখন পাকিস্তান পঞ্জাব প্রদেশের অন্তর্বর্তী সরকার লাহোরের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া জঙ্গিদের বের করে দিতে সময় দিয়েছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে ইমরান খানকে দেশ ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে। না হলে সেনা আইনের মুখোমুখি হতে হবে।
প্রসঙ্গত ইমরান খানকে ৯ মে আল কাদির ট্রাস্ট মামলায় গ্রেফতার করার দুদিন পরে তিনি জামিন পান। তবে ইমরানের গ্রেফতারের পরে, তাঁর সমর্থকরা পাকিস্তানের বাাহিনীকে টার্গেট করেছিল। যে কারণে সেনাবাহিনী ক্ষুব্ধ বলে জানা গিয়েছে। এখানেই শেষ নয়, ইমরানের সমর্থকদের বিরুদ্ধে সেনা আইনে মামলা করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের সেনা বাহিনী ইমরান খানকে পাকিস্তান ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে। যদি তিনি তা না করেন, তাহলে তাঁকে সেনা আইনের মুখোমুখি হতে হবে। সেনাবাহিনীর তরফে ইমরান খানকে দুবাই অথবা লন্ডনে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সেনাবাহিনী বলেছে, ইমরান পাকিস্তান ছেড়ে চলে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা করা হবে না।
ইমরান খান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানি গিয়েছে। বলা ভাল তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর উদ্দেশে বলেছেন, যাই ঘটুক না কেন, তিনি পাকিস্তান ছাড়বেন না।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল অসীম মুনির ইমরান খানের সমর্থকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ৯ মের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে তারা তা সহ্য করবেন না। এদিকে দুদিন আগে গ্রেফতার হওয়া বিক্ষোভফকারীদের সেনা আইনে বিচারের অনুমতি পেয়েছে সেনাবাহিনী।
পাকিস্তানে যে কোনও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী সরকারকে সেনা আইন জারির করার কথা বলেছিলেন। সেনা আইন সেখানে অফিসিয়াল সিক্রেন অ্যাক্ট নামেও পরিচিত। এই আইনে গ্রেফতার হওয়াদের কঠোর শাস্তি দিতে পারে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

এই আইনের অধীনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তাঁর কর্মীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে, তাঁদের কারাদণ্ড থেকে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দিতে পারে সেনাবাহিনী। ইরমান খান শেষ পর্যন্ত কী করেন, আর সেনাবাহিনীই বা কী পদক্ষেপ নেয় এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications