অত্যন্ত হতাশ! রাশিয়া সফরে মোদী-পুতিনের বৈঠক নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির
দু'দিনের রাশিয়া সফরে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে যাওয়ার পরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। যা নিয়ে অত্যন্ত হতাশ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। প্রসঙ্গত, ২০২২-এর ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্ত শুরু হওয়ার পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এটাই প্রথম রাশিয়া সফর।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাশিয়া সফর নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠককে তিনি শান্তি প্রচেষ্টার পথে বড় ধাক্কা বলেও অভিহিত করেছেন। প্রসঙ্গত, সোমবার মস্কোর নভো-ওগারিওভোতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ক্রেমলিনে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন।

- হতাশা প্রকাশ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের
গত মাসে ইতালিতে অনুষ্ঠিত জি সেভেন সম্মেলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা হয়েছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির। সেই বিশ্বের সব থেকে বড় গণতন্ত্রের নেতাকে মস্কোয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলিঙ্গন করতে দেখে তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন। যেদিন এই আলিঙ্গন করতে দেখা গিয়েছে, সেদিনই ওই বৈঠকের স্থল থেকে প্রায় নশো কিমি দূরে, ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
জেলেনস্কি বলেছেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের নেতাকে এমন একটা দিনে মস্কোয় বিশ্বের সব থেকে রক্তাক্ত অপরাধীকে আলিঙ্গন করতে দেখা বড় হতাশা আর শান্তি প্রচেষ্টার পথে বড় আঘাত বলে বর্ণনা করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাশিয়া কিয়েভে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যা গিয়ে পড়ে শিশু হাসপাতালের ওপরে। সেখানে কমপক্ষে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৯০-র জনের বেশি আহত হয়েছেন। তারপরেই জেলেনস্কি এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিশ্বের আর এব্যাপারে নীরব থাকা উচিত নয়। সবারই দেখা উচিত রাশিয়া কী করছে।
- একে অপরের প্রশংসায় মোদী-পুতিন
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন চা-চক্রে মিলিত হয়েছিলেন। সেখানে তাঁরা একে অপরের প্রশংসা করেন। এরপর প্রেসিডেন্ট পুতিন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে গলফ কার্টে করে ক্রেমলিনে নিয়ে যান।
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বলেছেন, ইউক্রেন সংঘাত সমাধানের একমাত্র উপায় হল আলোচনা ও কূটনীতি। কারণ যুদ্ধে সমস্যার সমাধান হয় না।
আমেরিকা রাশিয়াকে বার্তা দিয়ে বলেছে, ইউক্রেন সংঘাতের যে কোনও সমাধান অবশ্যই রাষ্ট্রসংঘের সনদ এবং ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে করতে হবে। অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, ইউক্রেনে বিস্ফোরণের কারণে চিকিৎসা কর্মীদের হাসপাতালের বাইরে অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা করতে বাধ্য করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications