প্রবাসী বঙ্গ সন্তান এবার ট্রাম্পের প্রশাসনিক পদে, জয় ভট্টাচার্যকে নিয়ে চর্চা
আগামীর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে কলকাতার যোগ! সেই কথাই এখন অবধি জানা যাচ্ছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের নতুন প্রধান হচ্ছেন এক বাঙালি। তার সঙ্গে আবার কলকাতার শিকড়ের টান রয়েছে। এই পদে বসতে চলেছেন জয় ভট্টাচার্য।
কে এই জয় ভট্টাচার্য? তাঁর প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এই গুরুদায়িত্ব দিচ্ছেন কেন? এই বঙ্গ সন্তানকে নিয়ে আলোচনাও হচ্ছে জোর। জয় ভট্টাচার্যের নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য। ১৯৬৮ সালে খাস কলকাতায় তাঁর জন্ম। প্রাথমিক পড়াশোনা এই কলকাতাতেই। তারপর উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশযাত্রা।

মার্কিন মুলুকে উচ্চশিক্ষায় যোগ দেওয়া। গবেষণার কাজে সেখানেই থেকে যাওয়া৷ তারপর আমেরিকাতেই পাকাপাকি জায়গা করে নেওয়া। স্বাস্থ্যনীতি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে জয় ভট্টাচার্যের। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অর্থনীতিতে পিএইচডি করেছেন।
সেজন্যই কি এবার জয় ভট্টাচার্যর উপর গুরুদায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে?
আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিস। তার অধীনে রয়েছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ। এই সংস্থা স্বাস্থ্যক্ষেত্রে গবেষণায় অনুদান দিয়ে থাকে। ওষুধ ও থেরাপির ক্ষেত্রেও অনুমোদন দেওয়া হয়। সেই সংস্থার দায়িত্ব নিতে পারেন এই প্রবাসী বঙ্গ সন্তান। তাঁর বয়স এখন ৫৬ বছর৷
জয় ভট্টাচার্য এখন কর্মসূত্রে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকার ন্যাশনাল ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর কাঁধে গুরুদায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকার ভোটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে পদে জয়ী হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে তিনি ফিরে এসেছেন। সম্ভবত আগামী ২০ জানুয়ারি তাঁর প্রেসিডেন্ট পদে শপথগ্রহণ।
প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগেই তিনি একাধিক দফতর ঢেলে সাজাতে শুরু করেছেন। নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড
হিউম্যান সার্ভিসেসের মাথায় বসছেন রবার্ট এফ কেনেডি। তাঁর সঙ্গে দেখাও করেছেন জয় ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার এই বিষয় সামনে এসেছে।












Click it and Unblock the Notifications