Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ভয়ঙ্কর কম্পনে ভেঙে পড়েছে একের পর এক বাড়ি, রাস্তা ভেঙে চুরমার! ১০ ফুট উচ্চতার সমান ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা

বড়সড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল হাইতি। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.২। শনিবার এই কম্পন অনুভূত হয়েছে হাইতির পোর্ট ও প্রিন্স এলাকাতে। অন্তত জনবহুল এই এলাকাতে কম্পনের ফলে স্বাভাবিক ভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বড়সড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল হাইতি। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭.২। শনিবার এই কম্পন অনুভূত হয়েছে হাইতির পোর্ট ও প্রিন্স এলাকাতে। অন্তত জনবহুল এই এলাকাতে কম্পনের ফলে স্বাভাবিক ভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর সুনামি আছড়ে পড়তে পারে। সেজন্যে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল হাইতি

সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদে চলে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে সুনামির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে ইতিমধ্যে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

অন্যদিকে পোর্ট ও প্রিন্স থেকে ১৬০ কিমি দূরে এই কম্পনের উৎসস্থল। ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। শুধু তাই নয়, কম্পনের মাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে আশেপাশের দেশগুলিতেও কম্পনের মাত্রা অনুভূত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ভয়াবহ এই কম্পনের পর ভয়ঙ্কর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে হাইতির পোর্ট ও প্রিন্স এলাকাতে। ভেঙে পড়েছে একাধিক বহুতল।

এমনকি রাস্তার দুধারে থাকা একের পর এক বাড়িগুলি একেবারে ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। ভয়ঙ্কর এই ভূমিকম্পের ফলে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বহুতলে চাপা পড়ে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত তা জানা যায়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ইতিমধ্যে হাইতির ওই শহরের ধ্বংসস্তুপের একের পর এক ভিডিও-ছবি সামনে আসছে।

যেখানে দেখা যাচ্ছে যে চার্জ সহ একাধিক বিল্ডিং ভয়ঙ্কর ভাবে ভেঙে পড়ে রয়েছে। শহরের বড় রাস্তা ভেঙে পড়েছে। চারপাশ জূড়ে আর্তনাদ। ভয়ঙ্কর এই ভূমিকম্পের ফলে ঠিক কতজন মানুষের ম্রিতু হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সুনামি হলে ১০ ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে ঢেউ। তিনি আরও বলেন, মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিত ভাবে। তবে ঠিক সংখ্যাটা কত তা এখনও জানা যায়নি। তবে ইতিমধ্যে উদ্ধারকাজ শুরু হিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে এমারজেন্সি অপরেশনে সেণ্টার খোলা হয়েছে। সেখানে যাচ্ছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য এর আগে ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল পোর্ট ও প্রিন্স শহর। সব মিলিয়ে দুলক্ষ্যের মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিল ৩ লক্ষ মানুষ। হাইতির অন্তত ৫০ শতাংশ মানুষ ঘর ছাড়া হিয়েছিলেন।

সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছিল বিশ্বের ছোট এই শহরটি। নতুন করে সেজে উঠেছিল। মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছিল মানুষজন। এই অবস্থায় ফের এক ধাক্কায়। ভয়াবহ এক কম্পনে সব শেষ। নতুন করে শহরজুড়ে মৃত্যু মিছিল।

জানা যাচ্ছে, এই ভূমিকম্পের পর একদিকে যেমন সুনামির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আরও বেশ কয়েকটি আফটার শকের সতর্ক বার্তাও দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে এই কম্পনের পর উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+