আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার সবথেকে বড় কৌশলগত ভুল, ট্রাম্প-নিশানায় বাইডেন
আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে একহাত নিলেন প্রাক্তনী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালিবানদের হাতে চলে যাওয়ার জন্য দায় এড়াতে পারেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে একহাত নিলেন প্রাক্তনী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালিবানদের হাতে চলে যাওয়ার জন্য দায় এড়াতে পারেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহারের কারণেই তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করে নেয়।

প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর টুইটে বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন তালিবানের কাছে আত্মসমর্পণের। এবং ট্রাম্প সেই টুইটেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, বাইডেন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কৌশলগত ভুলের জন্য ক্ষমা চাইবেন কি না। ট্রাম্পের কথায়, "বাইডেনের অধীনে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়নি, এটি ছিল আত্মসমর্পণ। তিনি কি আমাদের নাগরিকদের সামনে সামরিক বাহিনীকে সরিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কৌশলগত ভুলের জন্য ক্ষমা চাইবেন? জিজ্ঞাসা করেন ট্রাম্প।
আমেরিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অন্য এক বিবৃতিতে বলেন, "আমেরিকানদের মৃত্যুর জন্যও এই অসহায় আত্মসমর্পণ ক্ষমার অযোগ্য, ক্ষমতাবলে তা মুছে ফেলা যাবে না, তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য কুখ্যাত হয়ে থাকবে ইতিহাসের পাতায়। তালিবানরা আফগানিস্তান দখলের পর থেকে এক ডজন বিবৃতি জারি করেছেন ট্রাম্প। তিনি সৈন্য প্রত্যাহারের আগে মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নিতে ব্যর্থ হওয়ায় বাইডেনকে আক্রমণ করেছিলেন।
ট্রাম্পের অধীনে আগের প্রশাসন আফগানিস্তান থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহারের জন্য ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তালিবানদের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল এবং আফগান সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য জোর দিয়েছিল। কিন্তু মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিদেশী সৈন্যরা তাংদের প্রত্যাহার চূড়ান্ত করার সঙ্গে সঙ্গেই তালিবান যোদ্ধারা আফগান বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করে এবং আশরাফ গনির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।
তালিবান গোষ্ঠীর এই বিরাট ধাক্কা বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে এবং আমেরিকাসহ অনেক দেশ এখন আফগানিস্তান থেকে তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নিতে চাইছে। বাইডেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কাবুল বিমানবন্দরে পরিষেবা ব্যাহত করার কোনো প্রচেষ্টা হলে তার ফল ভালো হবে না। তিনি দ্রুত এবং জোরালো প্রতিক্রিয়া দিয়ে তালিবানদের সাবধান করে দেন।
বাইডেন বারবার তার সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে সাফাই দিয়েছেন। তাঁর দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশন ছিল আফগানিস্তানে আল কায়েদার সংগঠনগুলিকে নির্মূল করা, তা তাঁরা করতে সক্ষম হয়েছে। আল কায়েদাকে ধ্বংস করার পর আফগানিস্তান নিয়ে আর কী আগ্রহ থাকেত পারে? আফগানিস্তানকে আল কায়েদা মুক্ত কররা পাশাপাশি ওসামা বিন লাদেনকে পাওয়ার জন্য আমরা আফগানিস্তানে গিয়েছিলাম। আমরা তা করতে সক্ষম হয়েছি এবং চিরকালের মতো যুদ্ধ শেষ হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications