Canada-America: আমেরিকার নতুন মানচিত্র, যুক্ত কানাডাও! ট্রাম্প প্রকাশ্যে আনতেই তোলপাড় বিশ্বজুড়ে
Canada-America: দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসাবে জয়ী হওয়ার পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President-elect Donald Trump) লক্ষ্য কানাডাকে আমেরিকার অধীনে নিয়ে আসা। গত নভেম্বরে জেতার পর থেকে এই বিষয়ে একাধিকবার কথা বলেছেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর মাত্র সপ্তাহ দু'য়েক বাদেই হোয়াইট হাউসের মসনদে বসবেন। আর তার আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আমেরিকার নতুন মানচিত্র প্রকাশ করলেন ট্রাম্প।
আর সেই মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে গোটা কানাডাই আমেরিকার (Canada-America) অংশ হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার ট্রাম্প বলেছেন, কানাডা হবে আমেরিকার ৫১তম প্রদেশ। এমনকি সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগ করার ঘোষণাকে হাতিয়ার করে একই অ্যাজেন্ডার কথা বলেছেন মার্কিন ভাবী প্রেসিডেন্ট।

গত মঙ্গলবার তিনি দাবি করেছেন, অর্থনৈতিক শক্তির জোরেই কানাডাকে আমেরিকার অন্তগত করা হবে। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড এবং পানামা ক্যানেলার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি চান, 'গালফ অফ মেক্সিকো'র নাম বদলে হোক 'গালফ অফ আমেরিকা'। ট্রাম্প এর আগে আমেরিকা এবং কানাডার মধ্যে থাকা সীমারেখাকে 'কৃত্রিম' একটি রেখা বলে দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার কানাডার বিদেশমন্ত্রী মেলানি জলি ট্রাম্পের দাবি সম্পর্কে বলেন, আমরা কোনও হুমকির মুখে মাথা নত করব না। আমেরিকা বোঝে না কানাডার শক্তি ঠিক কতটা। তবে ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, আমেরিকা এজন্য কোনও সামরিক শক্তি প্রয়োগ করবে না। তিনি জানিয়েছেন, আর্থিক সুরক্ষার জন্যেই কানাডাকে প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, আমেরিকার সঙ্গে কানাডা মিশে গেলে দু দেশের মধ্যে থাকবে না কোনও শুল্ক। একই সঙ্গে কর কমানো হবে, আর এজন্যেই এহেন পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চান বলেও দাবি করেছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্পের পানামা ক্যানেলের 'দখল' নেওয়ার দাবিকেও নস্যাৎ করা হয়েছে। পানামার বিদেশমন্ত্রী জ্যাভির মার্টিনেজ বলেছেন, শুধু পানামিয়ানদের হাতেই থাকবে পানামার কন্ট্রোল। তবে ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, পানামা এবং গ্রিনল্যান্ডকে তাঁদের প্রয়োজন সুরক্ষার প্রয়োজনে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন জাস্টিন ট্রুডো।
তাঁর সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক মোটেই ভালো ছিল না। ২০১৭ তে ট্রাম্প যখন প্রথম ক্ষমতায় আসেন, তখন থেকেই ট্রুডোর সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত ছিল তাঁর। মাঝে একবার দেখা হলেও অবস্থার বদল হয়নি। কার্যত পরিস্থিতি একই থেকে গিয়েছে। আর এর মধ্যেই আরও একধাপ এগিয়ে কানাডাকে যুক্ত করে নয়া মার্কিন ম্যাপ সামনে আনলেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর তরজা।












Click it and Unblock the Notifications