অশান্ত আমেরিকা! এরই মাঝে ভারতের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, কেন?
অশান্ত আমেরিকা! এরই মাঝে ভারতের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, কেন?
ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে গান্ধীমূর্তির অবমাননা 'লজ্জাজনক', বললেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুলিশি হেপাজতে জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার প্রতিবাদে অ্যামেরিকার একাধিক শহরে প্রতিবাদের আগুজ জ্বলেছে। হয়েছে ভাঙচুর, চলেছে লুটপাট। অবমাননা থেকে বাদ যায়নি মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি। তাতে গ্রাফিতি, স্প্রে পেন্ট করে মূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। সেই ঘটনার পর দুঃখপ্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

গান্ধী মূর্তির উপর হামলা
২ ও ৩ জুনের মধ্যবর্তী রাতে গান্ধী মূর্তির উপর হামলা করে অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা। আমেরিকার ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এই ঘটনার ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে অ্যামেরিকার স্টেট পার্ক পুলিশ।

গান্ধীমূর্তি অবামাননার ঘটনায় নিন্দা
গত সপ্তাহে গান্ধীমূর্তি অবামাননার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছিল আমেরিকা প্রশাসন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গতকাল হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পকে গান্ধিমূর্তি অবমাননার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে প্রেসিডেন্ট দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, 'এই ঘটনা লজ্জাজনক।' তিনি বলেন, 'ওয়াশিংটনে গান্ধিমূর্তির ভাঙচুরের ঘটনায় আমি লজ্জিত। এই ঘটনায় আমি ক্ষমাপ্রার্থী।'

৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের নৃশংসতা
কয়েকদিন আগে ৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের নৃশংসতা ভরা এক ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা যায়, জর্জ ফ্লয়েডের ঘাড়ের উপর হাঁটু দিয়ে চেপে রয়েছে এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মী। আর শ্বাস নেওয়ার জন্য কাতড়াচ্ছেন জর্জ। মৃত্যু হয় তাঁর। আর এরপর করোনা সংক্রমণের মাঝেই প্রতিবাদে উত্তাল আমেরিকা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মার্কিন নাগরিকরা। প্রতিবাদ চলে হোয়াইট হাউজের সামনেও।

হত্যা করা হয়েছিল ফ্লয়েডকে
জর্জের অটোপ্সি রিপোর্ট আসে। ঘাড়ে আঘাতের বা নেক কম্প্রেশনের কারণেই তাঁর মৃত্যু। এই মৃত্যুকে 'হত্যা', হোমিসাইড বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়, 'কার্ডিওপালমোনারি অ্যারেস্ট ল এন্ফোর্সমেন্ট সাবডুয়াল' এবং ঘাড়ে আঘাত ৪৬ বছরের জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর কারণ। তাঁর মৃত্যু আসলে হোমিসাইড বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications