অবশেষে ফোনালাপ সম্পন্ন হল ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিনের, হল অনেক জরুরী আলোচনা
অবশেষে দুজনের ফোনালাপ সম্পন্ন হল। কয়েকদিন আগেই মার্কিন কর্মচারীরা বলেছিলেন খুব শীঘ্রই কথা হবে ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে। আর এদিন কার্যত সেই কাজ সম্পন্ন হল। ওভাল অফিস থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপ সারলেন। হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে যে, স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এই টেলিফোনিক আলোচনা শুরু হয়।
হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ জানিয়েছেন, "আলোচনাটি ইতিবাচক হয়েছে"। ট্রাম্পের লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানো। আর তাই সেই জন্যেই এই আলোচনা হওয়াটা দ্রুত প্রয়োজন ছিল, বলেই মনে করছে একাংশ।

অবশ্য এক্ষেত্রে ইউরোপীয় মিত্রদের কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে। তিনি বলেন, "ইউক্রেনের পরিস্থিতি ভালো নয়, রাশিয়ার অবস্থাও কঠিন। আমাদের শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে হবে"। যদিও এই একই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তিনিও যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন দুই দেশের যুদ্ধ থামানোর জন্যে।
এর আগে সৌদি আরবে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নেতৃত্বে আলোচনার পর ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা কিছু মার্কিন প্রস্তাবে সম্মতি জানান এবং ৩০ দিনের জন্যে যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করেন তারা। তবে একই সাথে এই সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে রাশিয়ার ওপর তাও বলে ইউক্রেন। অথচ দেখা যায় রাশিয়া সেই সিদ্ধান্তে সম্মতি প্রদান করেনা। উলটে এখনও তারা ইউক্রেনের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে।
এপ্রসঙ্গে পুতিনের পাল্টা প্রতিক্রিয়া ছিল খানিকটা অন্যরকম। তবে এদিন ফোনালাপ নিয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, "ট্রাম্প-পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ ও শান্তি সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। মার্কিন-রাশিয়া সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় উঠে এসেছে"।
ট্রাম্প ও পুতিন মূলত যে বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করে তার মূল বিষয়বস্তু হল - ভূখণ্ড ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ, যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি এবং মার্কিন ও রাশিয়ার ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সম্পর্ক। ট্রাম্প প্রশাসন শান্তির পথে অগ্রসর হতে চাইলেও, পুতিন সত্যিই যুদ্ধ বন্ধ করতে প্রস্তুত কিনা তা বোঝা যাবে আগামী দিনেই।












Click it and Unblock the Notifications