অনুপ্রবেশ থেকে দেশের অর্থনীতি, চিনে সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, একের পর এক ইস্যুতে ট্রাম্প-বাইডেন বিতর্ক তুঙ্গে
সামনের বছরেই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তার সূচনা হয়ে গেল। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম ডিবেটে মুখোমুখি বাইডেন-ট্রাম্প। বাইডেনকে একের পর এক ইস্যুতে নিশানা করে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মার্কিন মুলুকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তিনি।
অনুপ্রবেশের জেরে মার্কিন অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে বলে সরাসরি বাইডেন প্রশানকে নিশানা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে জেনেও বাইডেন সরকার বেআইনি অনুপ্রবেশ বন্ধে কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না। দেশে মুদ্রাস্ফীতি মারাত্মক আকার নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। পাল্টা ট্রাম্পকে নিশানা করে বাইডেন বলেছেন, তিনি আসার পরে কর্মসংস্থান ৈতরি করেছেন। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে থাকাকালীন দেশের বেকারত্ম মারাত্মক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল।

শুধু বেকারত্বের হার কমানোই নয় বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর দেশে ওষুধের দামেও রাশ টেনেছেন তিনি। আবার অন্যদিকে ট্রাম্প পাল্টা অভিযোগ করেছেন বাইডেন সরকার কেবল মাত্র শরণার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছেন। মার্কিন নাগরিকদের জন্য কোনও কাজ করেননি। পাল্টা বাইডেন অভিযোগ করেছেন ট্রাম্পের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় দেশে মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনীতি তলানিতে এসে ঠেকেছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশবাসীকে সুস্থ জীবন দিয়েছেন তিনি। অর্থনৈতিক স্থিরতা তৈরি করেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন বাইডেন সরকারের ওপেন বর্ডার পলিসির কারণে শরণার্থীর সংখ্যা বাড়ছে আমেরিকায়। তার জেরে অপরাধও বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি থেকে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ ঘটছে আমেরিকায়। জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠছে আমেরিকা। পাল্টা ট্রাম্পকে নিশানা করে বাইডেন অভিযোগ করেছেন অনুপ্রবেশ রুখতে অমানবিক আচরণ করেছিল তৎকালীন ট্রাম্প সরকার। শিশুদের থেকে মায়েদের আলাদা করে দেওয়া হচ্ছিল।
বিতর্কে উঠে এসেছে ইউক্রেন-রাশিয়া এবং প্যালেস্তাইন-ইজরায়েল যুদ্ধ প্রসঙ্গও। ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন আলোচনার মাধ্যমে রাশিয়াকে যুদ্ধ থেকে বিরত করতে ব্যর্থ হয়েছে বাইডেন প্রশাসন। উল্টে বাইডেন নাকি পুতিনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যদি মার্কিন মুলুকে ফের রিপাবলিকানরা ক্ষমতায় আসে তাহলে ইউরোপের অন্যান্য দেশে আক্রমণের ছাড় পাবে রাশিয়া।
অন্যদিকে আবার ইজরায়েলকে হামাসদের বিরুদ্ধে আক্রমণ থামানোর কথা বলেছে বাইডেন সরকার। যার কারণে হামাসরা এখনও ইজরায়েলে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্পের ঝোড়ো অভিযোগের মাঝে বেশ কয়েকবার বাইডেনকে ঢোক গিলতে দেখা গিয়েছে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা থাকা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে অনড় তিনি।












Click it and Unblock the Notifications