তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা,পরিণতি জানেন শি, তবে কেন সামরিক হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গে নীরব?
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলতি বছরের মে মাসে তৈরি হওয়া তীব্র সামরিক উত্তেজনা যে প্রায় পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে গড়িয়েছিল, সেই দাবি ফের তুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায়, সেই সময় তাঁর কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ ও বাণিজ্যিক চাপ প্রয়োগ না হলে দক্ষিণ এশিয়া ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের মুখোমুখি হত।
এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, "ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে পারমাণবিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে চলেছিল। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও প্রস্তুত ছিলেন। যদি আমি হস্তক্ষেপ না করতাম, লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যেতেন। যুদ্ধ তখন ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল, বিমান আছড়ে পড়ছিল। আমি উভয় দেশকেই সরাসরি বলেছিলাম পরিস্থিতি না থামালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও বাণিজ্য চলবে না।"

ট্রাম্পের দাবি, তাঁর এই কঠোর সতর্কবাণী কার্যকর ভূমিকা নেয়। উভয় দেশই পরিস্থিতি শান্ত করতে ও উত্তেজনা কমানোর পথে এগোয়। তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করেন, শুধু বাণিজ্য বা হুমকি নয়, কূটনৈতিক চাপ, গোয়েন্দা নজরদারি, এমনকি আঞ্চলিক শক্তিগুলির মধ্যস্থতাও উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
চলতি বছরের ওই সামরিক সংঘাতের পটভূমিতে সীমান্তে গোলাগুলি, যুদ্ধবিমান নামানো ও সেনা মোতায়েন নিয়ে টানা টানাপোড়েন দেখা দিয়েছিল। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল বৈশ্বিক পর্যবেক্ষক মহলে।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক দাবি আবারও প্রশ্ন তুলছে
তখন দক্ষিণ এশিয়া কতটা বিপদের মুখে ছিল? আর আন্তর্জাতিক কূটনীতি কি সত্যিই যুদ্ধ ঠেকানোর কার্যকর হাতিয়ার?












Click it and Unblock the Notifications