ফ্লোরিডায় আঘাত করেছে বিধ্বংসী হ্যারিকেন মিল্টন, প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ আঁধারে
ভয়াবহ ঝড় আর তার সঙ্গে বৃষ্টি। আমেরিকার ফ্লোরিডার উপকূলের একটা অংশ বিপর্যয়ের সামনে। তাণ্ডব চলেছে সেখানে হ্যারিকেন মিল্টনের। ভারী বৃষ্টি চলছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত? সেই বিষয়ে এখনও পরিষ্কার কিছু তথ্য জানা যায়নি। বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎবিহীন। বেশ কিছু মানুষের মারা যাওয়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।
আটলান্টিক মহাসাগরে তৈরি হয়েছিল অত্যন্ত শক্তিশালী হ্যারিকেন মিল্টন। আমেরিকার সাম্প্রতিক অতীতে যে সব হ্যারিকেন হয়েছে, মিল্টন সেগুলির মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী৷ তার রূপ দেখেই অনেক ধ্বংসলীলার আশঙ্কা করেছিলেন আবহবিদরা৷

জানা গিয়েছে, আমেরিকার ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় অনুসারে বুধবার সন্ধ্যায় আঘাত হানে। উপকূলের উপর প্রথম আঘাত করে মিল্টন। তারপর স্থলভাগে ঢুকে ধ্বংসলীলা চালাতে থাকে৷ ফ্লোরিডার উপসাগরীয় উপকূলে মিল্টন আছড়ে পড়ে। সারাসোটা নামক এলাকায় মিল্টনের ল্যান্ডফল হয়। গত দুই সপ্তাহের মধ্যে দু'দুটো বিধ্বংসী হ্যারিকেন দেখল আমেরিকা।
মিল্টন আসার আগেই অনেক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু তারপরেও ধ্বংসলীলা ঠেকানো সম্ভব হয়নি। যে সব এলাকার উপর দিয়ে মিল্টন গিয়েছে, সেই জায়গা এখন বসবাসঅযোগ্য। বেশ কিছু মানুষের মারা যাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে৷ কিন্তু দিনের আলো না ফুটলে পরিষ্কার চিত্র প্রকাশ পাবে না।
ফ্লোরিডার বিস্তীর্ণ এলাকা এই মুহূর্তে বিদ্যুৎহীন৷ বিভিন্ন মাধ্যমের সূত্র মোতাবেক প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সারাসোটার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে হ্যারিকেন মিল্টন। আর তার সঙ্গে চলেছে ভয়াবহ বৃষ্টি৷ আটলান্টিকে থাকার সময় মিল্টন ৫ ক্যাটাগরির শক্তিধর ছিল৷ কিন্তু স্থলভাগে আঘাত হানার সময় তার শক্তিক্ষয় হয়৷ ৩ ক্যাটাগরির ক্ষমতাভুক্ত শক্তিশালী হ্যারিকেন হিসেবে সে স্থলভাগে আঘাত করেছিল।












Click it and Unblock the Notifications