Dengue in World: ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বৃ্দ্ধির কারণ বিশ্ব উষ্ণায়ন! সতর্ক করল হু
ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। আর বিশ্বজুড়ে এই আতঙ্কের কারণ বিশ্ব উষ্ণায়ন! সম্প্রতি বিশ্বের প্রতিটি দেশকে এই মর্মে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণেই ডেঙ্গি বাড়ছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আধিকারিক ও বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
বিশ্বের জনসংখ্যার অর্ধেক ডেঙ্গির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা নিয়ে বাস করছেন। ১২৯টি দেশে প্রভাব ফেলেছে ডেঙ্গি। গ্রীষ্মকালীন এই রোগ নিয়ন্ত্রণই এখন প্রধান লক্ষ্য হু-র কাছে। হু-এর তরফে জানানো হয়েছে প্রতি বছর ১০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হন।

ডেঙ্গিকে ব্রেকবোন ফিভারও বলা হয়। মশাবাহিত ভাইরাল এই সংক্রমণ মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এই রোগের আগাম কোনও উপসর্গ থাকে না। এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে সেরে ওঠে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তা গুরুতর হয়ে উঠলে হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। সেকেন্ডারি ইনফেকশন সবসময় মারাত্মক হয়।
ডেঙ্গি ছড়ায় এডিস জাতীয় মশা থেকে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ুতে এই রোগটি বেশি দেখা যায়। ২০০০ সালে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ বা অর্ধেক মিলিয়নয। ২০২২ সালে তা রেকর্ড করা হয়েছঠে ৪.২ মিলিয়ন অর্থাৎ ৪২ লক্ষ। অর্থাৎ ৮ গুণেরও বেশি।
হু-এর বিশেষজ্ঞদের মতে এশিয়ায় ৭০ শতাংশ এই রোগে সংক্রামিত হয়। ইউরোপেও এক দশকের বেশি সময় ধরে ডেঙ্গি ও চিকুনগুলিয়ার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২২টি ইউরোপীয় দেশে এই প্রবতা সাংঘাতিক হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়াও ডেঙ্গির বিস্তারের প্রধান কারণ নগরায়ন ও স্যানিটেশন।

হু-এর বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, জলের অপ্রতুলতাতেও এই মশা বেঁচে থাকতে পারে। সুতরাং বন্যা পরিস্থিতির পাশাপাশি খরাও ডেঙ্গি বাড়াতে পারে। ভাইরাস ও ভেক্টরের সংখ্যবৃদ্ধি পায় উচ্চ তাপমাত্রাতেও। এই জ্বরের নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নেই। সরাসরি কোনও ওষুধও নেই এর।
ডেঙ্গি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু নতুন যন্ত্রপাতির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। উন্নত ডায়াগনস্টিকস জরুরি। সেজন্য কয়েকটি অ্যান্টিভাইরাল ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও চলছে। বর্তমানে তা ফেজ টু ট্রায়ালের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবা তা তৃতীয় ধাপে চলে যাবে।
জাতিসঙ্ঘের স্বাস্থ্য সংস্থা জোর দিয়েছে প্রতিরোধই গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু দিনের বেলায় মশা কামড়ায়, তাই গুরুত্বপূর্ণ লোকেরা বাড়িতে, স্কুলে ও কর্মক্ষেত্রে বিল্ডিংয়ের চারপাশে প্রতিষেধক স্প্রে করা জরুরি। সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাই সর্বাগ্রে।












Click it and Unblock the Notifications