৯০ লাখ মানুষ বসবাসকারী শহরে হঠাৎ লকডাউন ঘোষণা! ফের করোনার বাড়াবাড়ি?
৯০ লাখ মানুষের বসবাস চিনের গুরুত্বপূর্ণ শহর চাংচুনে। আর সেই শহরেই হঠাত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি চাংচুনে নতুন করে দুজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আর তা সামনে আসার পরেই সে শহরের প্রায় ৯০ লাখ মানুষকে গৃহবন্দি
৯০ লাখ মানুষের বসবাস চিনের গুরুত্বপূর্ণ শহর চাংচুনে। আর সেই শহরেই হঠাত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি চাংচুনে নতুন করে দুজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আর তা সামনে আসার পরেই সে শহরের প্রায় ৯০ লাখ মানুষকে গৃহবন্দি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মূলত সাবধানতার কথা মাথায় রেখেই নাকি এহেন সিদ্ধান্ত বলে দাবি করা হয়েছে। প্রশাসনের স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে একবারে অতি প্রয়োজনেই বাইরে বের হওয়া যাবে।
ব্যাপক ভাবে করোনা টেস্টিংও শুরু হয়েছে
অন্যদিকে এহেন নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক ভাবে করোনা টেস্টিংও শুরু হয়েছে। সংক্রমণ কাউকে পাওয়া গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হচ্ছে। এমনটাই স্থানীয় সুত্রে জানা যাচ্ছে। রাজধানী বেজিং সহ একাধিক বড় শহরেও প্রশাসনের তরফে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঘরেই বন্ধ থাকতে হবে মানুষকে
লকডাউনের কারনে চাংচুন শহরের মানুষকে আপাতত ঘরেই থাকতে হবে। শুধু তাই নয়, তিন ধরণের স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমেও সেখানকার মানুষকে যেতে হবে বলে জানা যাচ্ছে। প্রয়োজন নয়, আপাতত এমন ব্যবসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিবহণ ব্যবস্থাও আগামী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কমানোর কথা বলা হয়েছে। চিনের প্রশাসনের দাবি, এই শহরের রাতারাতি যদি লকডাউন ঘোষণা না করা হতো তাহলে অন্যান্য শহরেরও তা ছড়িয়ে পড়ত।
মাত্র করোনা দুজনের!
চিনে শূক্রবার গোটা দেশে স্থানীয় ভাবে ট্রান্সমিশনের কারণে নতুন করে ৩৯৭ জন করোনা আক্রান্তের খবর সামনে আসে। যার মধ্যে ৯৮ জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন জিলিন এলাকাতে । কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে চাংচুন শহরে করোনা আক্রান্ত মাত্র দুজন। কিন্তু ভাবছেন তো দুজনের জন্যে গোটা শহর গৃহবন্দি!
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী চিনের আধিকারিক করোনার মতো মহামারীকে মোটেই হালকা ভাবে নিতে নারাজ। আর সেই কারণে চিনের নীতি অনুযায়ী এক কিংবা অধিক আক্রান্তের খবর আসলেই রাতারাতি লকডাউন করে দেওয়া হবে। সেই কারণেই নাকি এই সিদ্ধান্ত।
গত সপ্তাহে চিনে প্রায় ১০০০ করোনা আক্রান্ত হয়ে গিয়েছিল
শুধু তাই নয়, ২০২০ সালের প্যান্ডামিকের পর গত সপ্তাহে চিনে প্রায় ১০০০ করোনা আক্রান্ত হয়ে গিয়েছিল। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে প্রত্যেকদিন কার্যত ১০০ বেশি করোনা আক্রান্তের খবর সামনে এসেছিল।
তবে নতুন করে করোনা আক্রান্ত বাড়তে থাকায় সে দেশের ভ্যাকসিনেশন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনকি চিনের ভ্যাকসিনের মান নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications