চিনে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ছুঁই ছুঁই, প্রতিবেশে দেশে করোনার পরিস্থিতে ফের বাড়ছে আতঙ্ক
চিনে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ছুঁই ছুঁই, প্রতিবেশে দেশে করোনার পরিস্থিতে ফের বাড়ছে আতঙ্ক
মাস্ক, স্যানিটাইজার। এটাই যেন হয়ে গিয়েছিল মানুষের জীবনের সঙ্গি। অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন যে এই পৃথিবীতে এমন এক রোগ এসেছে যার থেকে আর কোনও দিন মুক্তি পাবে না বিশ্ব। এই নিয়েই চলতে হবে মানুষকে। তাতে মানব সভ্যতা ধ্বংসের পথে এগিয়ে গেলেও আর কিছু করার যাবে না। করোনার একের পর এক ঢেউ আসে আর মানুষের চিন্তা বাড়ছিল। প্রশ্ন উঠছিল তবে কী কোনওদি সত্যি আর এই থেকে মুক্তি মিলবে ন। সেই অবস্থা কাটিয়ে দেখা গিয়েছিল মানুষ এবার মাস্কহীন জীবন যাপন করছে। ঠিক সেই সময়েই দেখা গেল আবারও হাজির যেন মহা বিপদের ঘণ্টি। আর তা কোথায় বাজছে? সেই করোনার যেখানে উতপত্তি সেই চিনেই। বাড়তে বাড়তে এখন প্রত্যেকদিন প্রায় ৪০ হাজার করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।

উপসর্গ নেই
চিনে বলা হচ্ছে যে ২৬ নভেম্বর ৩৯ হাজার ৭৯১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগেরই উপসর্গ নেই। সংখ্যা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে ৩৭০৯ জনের উপসর্গ রয়েছে করোনার। তবে উপসর্গ নেই ৩৬ হাজার ০৮২ জনের।

কী বলছে স্বাস্থ্য কমিশন?
চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে যে, একদিন আগেই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৫ হাজার ১৮৩ জন। ৩৪৭৪ জনের উপসর্গ ছিল করোনার। এদের মধ্যে বাকিদের অর্থাৎ উপসর্গ ছিল না ৩১ হাজার ৭০৯ জনের। এর আগের দিনও ৩৯ হাজার ০৫৬ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে ৩৬৪৮ জনের উপসর্গ ছিল করোনার। এদের মধ্যে বাকিদের অর্থাৎ উপসর্গ ছিল না ৩৪ হাজার ৯০৯ জনের।

বাইরের দেশ থেকে
একইসঙ্গে এও জানা গিয়েছে যে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁরা কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি বাইরের দেশ থেকে কেউ আসার জন্য। এটা যা হয়েছে চিনের মধ্যেই হচ্ছে। করোনায় আবার সে দেশে একজনের মৃত্যুও হয় শনিবার। সে দেশে করোনায় এর ফলে এখানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৫ হাজার ২৩৩। আর এই যে নাগারে আক্রান্ত হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার জন এর ফলে দেশে যে আর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হল ৩ লক্ষ ৭ হাজার ৮০২ জন। লকডাউনের করার ব্যবস্থা নি তেই হয়েছে তাদের। আসলে এতিদন এই সংক্রমণ দেখানে কিছু হয়নি। এখন তা আবার দেখা যাচ্ছে আচমকা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি খারাপ হলেও সেই দেশে মানুষজন এই নীতি নিয়ে ক্রমশ ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। বিক্ষোভ দেখিয়েছেন অনেকেই জিনজিয়াং শহরে । একই পরিস্থিতি বলা চলে রাজধানী শহর বেজিং-এও।












Click it and Unblock the Notifications