US-Colombia Tariff War: ট্রাম্প হুমকি দিতেই ইউ-টার্ন কলম্বোর প্রেসিডেন্টের! আমেরিকায় যাচ্ছে বিশেষ বিমান
US-Colombia tariff war: অভিবাসন ইস্যুতে ক্রমশ বাড়ছে উত্তেজনা! আমেরিকা অভিভাসনকারী নাগরিকদের সরাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যে দেশ থেকে সে দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একাধিক দেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে এই সংক্রান্ত প্রক্রিয়াও। যা নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে উত্তেজনা। কার্যত প্রবল চাপের মুখে বহু দেশ নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কার্যত গর্জে উঠেছিল কলম্বিয়া। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল কোনও অভিবাসনকারীদের ফেরত নেওয়া হবে না। এরপরেই পালটা ট্যারিফ বসানোর (US-Colombia tariff war) হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কার্যত এরপরেই ঘুরে খেল খেলা।

কার্যত মার্কিন প্রেসিডেন্টের চাপের মুখে ইউ টার্ন নিতে বাধ্য হলেন কলম্বিয়ান প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। শুধু তাই নয়, অভিবাসনকারীদের ফেরাতে বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
US-Colombia tariff war: ঘটনা কি ঘটেছিল?
বিমানে করে অভিবাসনকারীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে আমেরিকা। সেই মতো কলম্বিয়ার নাগরিকদেরও দেশে পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু সে দেশের প্রেসিডেন্ট এই ইস্যুতে কড়া মনোভাব নেন। মার্কিন বিমান নামতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। কার্যত নাগরিকদের নিয়েও বিমান ফেরে আমেরিকায়। যা মোটেই ভালো চোখে নেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপরেই ট্যারিফ বাড়ানোর (US-Colombia tariff war) হুমকি দেওয়া হয়।
শুধু হুমকি নয়, কলম্বিয়ার উপর ২৫ শতাংশ কর প্রয়োগের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। স্পষ্ট ভাবে ট্রাম্প জানিয়ে দেন, কলম্বিয়ার নাগরিকদের দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। যা নিয়ে প্রবল চাপের মুখে পড়ে যান কলম্বিয়ান প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এরপরেই এই ইস্যুতে নিজের কড়া মনোভাব থেকে সরে আসেন তিনি।
আমেরিকা থেকে নাগরিকদের ফেরাতে বিশেষ বিমানেরও ব্যবস্থা করা হয়। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত নাগরিকরা ফিরবে তাদের যেন সম্মান দেওয়া হয় সেই বার্তাও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেন প্রেসিডেন্ট। পুরো বিষয়টি দেখার জন্যে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যমন্ত্রীকেও নির্দেশ গুস্তাভো পেত্রো দেন বলে জানা গিয়েছে।
শুধু তাই নয়, এই সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষ টিম গঠনের পথেও হাঁটতে চলেছে কলম্বো সরকার। যে টিম একদিকে আমেরিকা থেকে অভিবাসনকারীদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে কাজ করবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে বলে খবর। তবে আমেরিকা এবং কলম্বোর মধ্যে যে সংঘাত সামনে এল তা অনেকেই বলছেন নজিরবিহীন।












Click it and Unblock the Notifications