এটা কোন বাংলাদেশ, জুম্মার নমাজ শেষ হতেই 'নিষিদ্ধ' জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহ্রীরের মিছিল, সংঘাতে উত্তাল ঢাকা
Bangladesh: শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছে বাংলাদেশের বুকে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। দীর্ঘ সময়ে বাসে দেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান হিসাব কাজ করছেন মহম্মদ ইউনূস। তাঁর আমলে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি যে কার্যত ভেঙে পড়েছে তা বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি প্রত্যেকদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের বুকে দাদাগিরি বেড়েছে মৌলবাদ কট্টরপন্থী সংগঠনগুলির।
এর মধ্যেই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহ্রীরের মিছিল। আজ শুক্রবার সেদেশের বিভিন্ন মসজিদে ছিল বিশেষ প্রার্থনা। আর তা শেষ হতেই সঙ্গঠনের তরফে এই মিছিল বের হয়। 'খিলাফত' প্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রকাশ্যে হিজবুত তাহ্রীরের নেতা-কর্মীরা এই মিছিল বের করে।

আর তা ঘিরে একেবারে রণক্ষেত্রের আকার নেয় ঢাকার পল্টন মোড়। সে দেশের পুলিশ প্রশাসন কিছুটা মিছিল যেতেই আটকে দেয়। আর তাতেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মিছিল লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে পুলিশ। এরপরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে জানা যাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের তরফে ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয় বলেও জানা যাচ্ছে। আর তা নিয়ে দফায় দফায় রাজধানী ঢাকার পরিস্থিতি একেবারে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। সে দেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যে সংগঠনের একাধিক নেতাকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
বাংলাদেশ পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মহম্মদ মাসুদ আলম সে দেশের সাংবাদিকদের জানিয়েছেন,''হিযবুত তাহরীরের সদস্যরা বিভিন্ন অলিগলিতে ঢুকে লুকিয়ে পড়েছে। পুলিশ হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। কোনও ভাবে অশান্তি পাকানোর সুযোগ দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি। অন্যদিকে আজ শুক্রবার সকাল থেকেই নিষিদ্ধঘোষিত হিযবুত তাহ্রীরের 'মার্চ ফর খিলাফত' কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকা সহ দেশের একাধিক জায়গায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়।
বিশেষ করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে ও আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থায় সেনাবাহিনীকে মোতায়েন করা হয়। এছাড়াও র্যাব ও পুলিশের বিভিন্ন শাখার সদস্যদের পিকেটিং করে মোতায়েন করা হয় বলে জানা যায়।
Bangladesh: হিজবুত তাহ্রীর কেন নিষিদ্ধ?
হিযবুত তাহরীর (মুক্তির দল) দলটির লক্ষ্য হল ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠিত করা ও বিশ্বব্যাপী ইসলামি আইন বাস্তবায়ন করা। এই সংগঠনটি বাংলাদেশ, চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, জার্মানি,তুরস্ক,ইংল্যান্ড ,কাজাখস্তান এবং সমস্ত মধ্য এশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সমস্ত মধ্যপ্রাচ্যে (লেবানন, ইয়েমেন ব্যতীত) নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ অনুযায়ী বাংলাদেশে এই সংগঠন নিষিদ্ধ। একাধিক সন্ত্রাস কার্যকলাপের সঙ্গেও এই সংগঠনের যোগ রয়েছে বলে দাবি।












Click it and Unblock the Notifications