Earthquake: ভূমিকম্প নাকি গোড়াতেই গলদ? ৩০ তলার নির্মীয়মাণ বহুতল ভেঙে পড়তেই চিনা সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত
Earthquake: ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের জেরে ব্যাঙ্ককে তাসের ঘরের মতো ৩০ তলার নির্মীয়মাণ বহুতলের খসে পড়ার দৃশ্য দেখে আঁতকে উঠেছেন সকলে। ওই বহুতল ধসে ১৭ জন মারা গিয়েছেন। জখম হয়েছেন ৩২ জন। ৮৩ জন এখনও নিখোঁজ। আর এরই মাঝে বহুতলের নির্মাণ কাজ নিয়েই উঠল প্রশ্ন। আদৌও কতটা মজবুত ছিল গগনচুম্বী ওই বহুতল? সেনিয়ে এবার হবে তদন্ত।
ব্যাঙ্ককের ওই বহুতলের নির্মাণের দায়িত্বে ছিল একটি চিনা ফার্ম। ভূমিকম্পে আস্ত বহুতল ধসে পড়ায় প্রশ্নের মুখে ওই সংস্থা। ইতিমধ্যেই ওই সংস্থার বিরুদ্ধে কড়া তদন্ত জারি করা হবে থাইল্যান্ড সরকারের তরফে। থাইল্যান্ডের উপ প্রধানমন্ত্রী রবিবার এমনটাই জানালেন।

৪৫ মিলিয়ন ডলার বা ৩৮৫ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছিল ওই বহুতল। ৩ বছর ধরে তৈরি হচ্ছিল বহুতলটি। ন্যাশনাল অডিট অফিস তৈরি হচ্ছিল সেখানে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, চিনের পোষিত একটি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছিল বহুতলটি। সংস্থাটি থাইল্যান্ডের হলেও তাঁর ৪৯ শতাংশ শেয়ারই চিনের এক সংস্থার। আর তাতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক।
নিম্নমানের সামগ্রী দিয়েই কি খাঁড়া করা হচ্ছিল বহুতল? যদিও এব্যাপারে ওই সংস্থার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্যান্য বহুতলের সঙ্গে এমন ঘটেনি। ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা তথা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার সুওয়ানসাওয়াসের দাবি, নিশ্চয়ই কোনও গলদ রয়েছে। তিনি বলেন, "অন্যান্য একাধিক বহুতল রয়েছে। অন্যান্য একাধিক বহুতল নির্মাণ হচ্ছে। সেগুলি বহাল তবিয়তে রয়েছে। বহুতলের নকশা ও নির্মাণ পদ্ধতিতে গলদ থাকতে পারে।"
থাইল্যান্ডের শিল্প মন্ত্রকের তরফে ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে ইনস্পেকশন টিম পাঠানো হয়েছে। নিম্নমানের ইস্পাত দিয়ে ওই বহুতল তৈরি করা হয়েছে কি না, দুর্বল নকশা তৈরি করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে ওই ইনস্পেকশন টিম। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা নির্মাণ পদ্ধতিতেও গড়িমসির অভিযোগ তুলেছে। বহুতলে বিম ছাড়াই সরাসরি মেঝেতে কলাম তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি। ব্যাঙ্ককের নরম মাটিতে তাই শক্তভাবে খাঁড়া করা হয়নি এই বহুতল। ইতিমধ্যেই, ব্যাঙ্কক শহরে ১৬৫টি ক্ষতিগ্রস্ত বহুতলের পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাবে ইনস্পেকশন টিম।












Click it and Unblock the Notifications